০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানে’র মৃত্যুতে বেরোবি উপ-উপাচার্যের শোক

জাতীয় অধ্যাপক, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

উপ-উপাচার্য এক শোক বার্তায় বলেন, জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতি ভাবনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনন্য।

শিক্ষায় অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ভারত সরকার তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করে। সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে।

এছাড়াও শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে ড. আনিসুজ্জামানকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একাধিক পদকেও ভূষিত করা হয়। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে ড. আনিসুজ্জামানের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, তাঁর প্রয়াণে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

শোক বাণীতে ড. আনিসুজ্জামানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানে’র মৃত্যুতে বেরোবি উপ-উপাচার্যের শোক

প্রকাশিত : ০৪:১৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২০

জাতীয় অধ্যাপক, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ) বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

উপ-উপাচার্য এক শোক বার্তায় বলেন, জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতি ভাবনার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনন্য।

শিক্ষায় অবদানের জন্য তাঁকে ১৯৮৫ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়। শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ভারত সরকার তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদক প্রদান করে। সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে।

এছাড়াও শিক্ষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য বিভিন্ন সময়ে ড. আনিসুজ্জামানকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একাধিক পদকেও ভূষিত করা হয়। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে ড. আনিসুজ্জামানের ভূমিকা অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, তাঁর প্রয়াণে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

শোক বাণীতে ড. আনিসুজ্জামানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি ।