১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি। অন্যায়ের কাছে মাথা নত অথবা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছপা হবো না।

রবিবার চট্টগ্রামে বিএনএ ফ্লোটিলায় রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ মিডশিপম্যান-২০১৫ পরিদর্শন শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি। অন্যায়ের কাছে মাথা নত অথবা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছপা হবো না। ৭ মার্চের ভাষণে জাতির অস্তিত্বের ইতিহাস প্রতিফলিত হয়েছে। আমার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ভাষণ দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রাক্কালে বাবাকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়, তার বিবেক যা বলে- সেই কথাগুলোই ভাষণে বলে আসতে।

‘আমার মা বুঝতেন জাতির পিতাই বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ-বঞ্চনার কথা সবচেয়ে ভালো জানেন। বাঙালি জাতির প্রতি তার মতো গভীর আন্তরিকতা আর কারো নেই। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শোষণ-শাসনে জর্জরিত জাতির বেদনার উপাখ্যান। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি জাতির পিতার আহ্বানে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের অবিনশ্বর ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসের আলোকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী এবং দৃঢ়চেতা করবে।’

এবার ২১ জন নারী কর্মকর্তা কমিশন পেতে যাচ্ছে এবং এটা নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মিডশিপম্যানদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে তোমরা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করবে। একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর সদস্য হিসেবে সর্বদা ঊর্ধ্বতনদের প্রতি আনুগত্য ও অধঃস্তনদের সহমর্মিতা প্রদর্শন করবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে বিশ্ব দরবারে আরও গৌরবোজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

১৯৬৬’র ৬-দফায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম পূর্ববঙ্গে নৌবাহিনীর সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:৫১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি। অন্যায়ের কাছে মাথা নত অথবা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছপা হবো না।

রবিবার চট্টগ্রামে বিএনএ ফ্লোটিলায় রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ মিডশিপম্যান-২০১৫ পরিদর্শন শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয়ী জাতি। অন্যায়ের কাছে মাথা নত অথবা যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছপা হবো না। ৭ মার্চের ভাষণে জাতির অস্তিত্বের ইতিহাস প্রতিফলিত হয়েছে। আমার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ভাষণ দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার প্রাক্কালে বাবাকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নয়, তার বিবেক যা বলে- সেই কথাগুলোই ভাষণে বলে আসতে।

‘আমার মা বুঝতেন জাতির পিতাই বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ-বঞ্চনার কথা সবচেয়ে ভালো জানেন। বাঙালি জাতির প্রতি তার মতো গভীর আন্তরিকতা আর কারো নেই। ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শোষণ-শাসনে জর্জরিত জাতির বেদনার উপাখ্যান। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি জাতির পিতার আহ্বানে সংঘটিত মুক্তিযুদ্ধের অবিনশ্বর ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসের আলোকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আত্মবিশ্বাসী এবং দৃঢ়চেতা করবে।’

এবার ২১ জন নারী কর্মকর্তা কমিশন পেতে যাচ্ছে এবং এটা নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মিডশিপম্যানদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে তোমরা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্বে আত্মনিয়োগ করবে। একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর সদস্য হিসেবে সর্বদা ঊর্ধ্বতনদের প্রতি আনুগত্য ও অধঃস্তনদের সহমর্মিতা প্রদর্শন করবে। চেইন অব কমান্ড মেনে চলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে বিশ্ব দরবারে আরও গৌরবোজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে।

১৯৬৬’র ৬-দফায় বঙ্গবন্ধুই প্রথম পূর্ববঙ্গে নৌবাহিনীর সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।