০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

হাটহাজারীতে প্রশাসন”র কঠোর নজরদারীর পরও নকল হ্যান্ডস্যানিটাইজার বাজারে সয়লাব

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ইদানীং নকল কিংবা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নাই এরকম হ্যান্ডস্যানিটাইজার বাজারে বিক্রি হচ্ছে।এসব হ্যান্ডস্যানিটাইজার স্বাস্থ্য সম্মত নয় তারপরও বেশী লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করছেন।এই অসাধু ব্যবসায়ীদের নকল হ্যান্ডস্যানিটাইজার মুলত ক্রেতা হচ্ছেন গ্রামের মানুষ ও অজ্ঞ ব্যাক্তিরা বিশেষ করে যারা লেখাপড়া পড়তে পারেনা।তারা না দেখে এই নকল পণ্য ক্রয় করে থাকেন।
এদিকে কিছু ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানান,এই নকল পণ্য
অভিজাত বা শহরে দিকে এগুলো বিক্রয় কম হলেও বেশীর ভাগ ক্ষেত্র গ্রামে গন্জের অলিগলিতে বিক্রয় বেশী হয়।এর মুল কারণ হচ্ছে ঐসব এলাকায় বোতলে মোড়কে এতকিছু দেখে না।তাই কিছু ব্যবসায়ী এগুলো কম দামে ক্রয় করে বেশী দামে বিক্রয় করে অধিক মুনায় লাভ আশায়।

সোমবার (৬জুলাই) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বিভিন্ন ফার্মেসীতে একটা ব্রান্ডের ১১০০ বোতল হ্যান্ডস্যানিটাইজার প্রশাসনের জিম্মায় নেয়া হয়েছে,জিম্মায় নেয়। বোতলের গায়ে সরকারি/ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন /লাইসেন্স /এনওসি লেখা নেই।

এই ব্যাপরে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, উৎপাদনের সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্স দেখাতে পারলে তা ফার্মেসীগুলোতে ফেরত দেয়া হবে। তাই এগুলো ব্যবহার বা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

হাটহাজারীতে প্রশাসন”র কঠোর নজরদারীর পরও নকল হ্যান্ডস্যানিটাইজার বাজারে সয়লাব

প্রকাশিত : ০৩:৫৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ইদানীং নকল কিংবা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন নাই এরকম হ্যান্ডস্যানিটাইজার বাজারে বিক্রি হচ্ছে।এসব হ্যান্ডস্যানিটাইজার স্বাস্থ্য সম্মত নয় তারপরও বেশী লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করছেন।এই অসাধু ব্যবসায়ীদের নকল হ্যান্ডস্যানিটাইজার মুলত ক্রেতা হচ্ছেন গ্রামের মানুষ ও অজ্ঞ ব্যাক্তিরা বিশেষ করে যারা লেখাপড়া পড়তে পারেনা।তারা না দেখে এই নকল পণ্য ক্রয় করে থাকেন।
এদিকে কিছু ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানান,এই নকল পণ্য
অভিজাত বা শহরে দিকে এগুলো বিক্রয় কম হলেও বেশীর ভাগ ক্ষেত্র গ্রামে গন্জের অলিগলিতে বিক্রয় বেশী হয়।এর মুল কারণ হচ্ছে ঐসব এলাকায় বোতলে মোড়কে এতকিছু দেখে না।তাই কিছু ব্যবসায়ী এগুলো কম দামে ক্রয় করে বেশী দামে বিক্রয় করে অধিক মুনায় লাভ আশায়।

সোমবার (৬জুলাই) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বিভিন্ন ফার্মেসীতে একটা ব্রান্ডের ১১০০ বোতল হ্যান্ডস্যানিটাইজার প্রশাসনের জিম্মায় নেয়া হয়েছে,জিম্মায় নেয়। বোতলের গায়ে সরকারি/ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন /লাইসেন্স /এনওসি লেখা নেই।

এই ব্যাপরে ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, উৎপাদনের সরকারি অনুমোদন বা লাইসেন্স দেখাতে পারলে তা ফার্মেসীগুলোতে ফেরত দেয়া হবে। তাই এগুলো ব্যবহার বা ক্রয়ের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ