০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

লালমনিরহাটে বাল্য বিয়ের আসর থেকে নিকাহ্ রেজিস্টার আটক

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাল্য বিয়ের আসর থেকে আবুল হাশেম নামে এক ইউনিয়ন নিকাহ নিবন্ধনকারী কাজীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় মেয়ের বাবাকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জানাগেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের
তহশিলদার পাড়া এলাকার হোসেন আলীর মেয়ে হাউসি খাতুন এর সাথে পুর্ব সারডুবী গ্রামের রফিকুল মিয়ার ছেলে সাজু মিয়ার
বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই বিয়ে বন্ধ করে কাজীকে আটক করেন এবং বিবাহ নিবন্ধনের নথিভুক্ত ভলিউম বহি দেখতে চেয়ে তার অফিসে যান। এসময় কাজী আবুল
হাসেমের সরকারি নথিভুক্ত ভলিউম বহিতে ভুয়া বিয়ে নিবন্ধনের প্রমান পাওয়া যায়। পরে কাজী অফিসেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা
করে ৫টি বহি উদ্ধার করা হয় যার মধ্যে শুধু একটি বহি সরকারি নথিভুক্ত রয়েছে। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ১১ ধারা
অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউল আমিন। এসময় মেয়ের বাবাকে চার হাজার
টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলসহ ইউপি
সদস্য ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন বলেন, সরকারি নথিভুক্ত ভলিউম বহিতে ভুয়া বিয়ে নিবন্ধনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে কাজীর অফিস থেকে পাঁচটি ভলিউমবহি জব্দ করা হয়েছে তার মধ্যে শুধু একটি বহি সরকারি নথিভুক্ত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

লালমনিরহাটে বাল্য বিয়ের আসর থেকে নিকাহ্ রেজিস্টার আটক

প্রকাশিত : ০৫:৩৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাল্য বিয়ের আসর থেকে আবুল হাশেম নামে এক ইউনিয়ন নিকাহ নিবন্ধনকারী কাজীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় মেয়ের বাবাকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জানাগেছে, গত রোববার রাতে উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের
তহশিলদার পাড়া এলাকার হোসেন আলীর মেয়ে হাউসি খাতুন এর সাথে পুর্ব সারডুবী গ্রামের রফিকুল মিয়ার ছেলে সাজু মিয়ার
বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল আমিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই বিয়ে বন্ধ করে কাজীকে আটক করেন এবং বিবাহ নিবন্ধনের নথিভুক্ত ভলিউম বহি দেখতে চেয়ে তার অফিসে যান। এসময় কাজী আবুল
হাসেমের সরকারি নথিভুক্ত ভলিউম বহিতে ভুয়া বিয়ে নিবন্ধনের প্রমান পাওয়া যায়। পরে কাজী অফিসেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা
করে ৫টি বহি উদ্ধার করা হয় যার মধ্যে শুধু একটি বহি সরকারি নথিভুক্ত রয়েছে। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ১১ ধারা
অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউল আমিন। এসময় মেয়ের বাবাকে চার হাজার
টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেলসহ ইউপি
সদস্য ও পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন বলেন, সরকারি নথিভুক্ত ভলিউম বহিতে ভুয়া বিয়ে নিবন্ধনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে কাজীর অফিস থেকে পাঁচটি ভলিউমবহি জব্দ করা হয়েছে তার মধ্যে শুধু একটি বহি সরকারি নথিভুক্ত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ