গরীব অসহায়দের একমাত্র আয়ের উৎস অটোরিক্সা। আর এই অটোরিক্সা চুরির জন্য ময়মনসিংহে সক্রিয় রয়েছে অভিজ্ঞ চুর চক্র। মাঝে মধ্যেই খবর পাওয়া যায় অটো চুরি কিংবা ছিনতাই হয়েছে। এই নিয়ে অটো চালকরা উৎকন্ঠা নিয়ে চলাচল করত। চুর চক্র অটো চালকদের দিকে নজর রাখত। সুযোগ পেলেই অটো ছিনিয়ে নিত। এছাড়াও নিরিবিলি কোথাও অটো রাখলে সেখান থেকে চুর চক্র অটো নিয়ে পালিয়ে যেতো। ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলা
ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পরেছে অটোরিক্সা চুরির এই চক্রটি।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয় অটোরিক্সা চুর চক্রকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সকালে অটোরিক্সা চোর সিন্ডিকেট চক্রের ৬ জন সদস্যকে সদরের ঘাগড়া আপনবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ৫ টি চোরাই অটো উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতারা হলো- ময়মনসিংহ সদরের দাপুনিয়া পাড়াইল গ্রামের মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে রাসেল (২৬), সদরের মধ্যবারেরা এলাকার আঃ খালেকের ছেলে মোতালেব (৪৪), সদরের মাসকান্দা গনশার মোড় এলাকার মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৫), সদরের ঘাগড়া আপনবাড়ীর রাজ্জাকের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২৯), ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার চরবগুড়া গ্রামের মৃত আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে আশরাফুল (৩৫) এবং নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার ভুয়ালি নাথপাড়া গ্রামের মৃত হরকুমার চন্দ্র দেবনাথের ছেলে অজয় চন্দ্র দেবনাথ (৩৫)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন যাবত তারা অটো চুরি করে আসছিল। দিন কিংবা রাতে অটো চালকদের লক্ষ রাখত এই চক্রটি। সুযোগ বুঝে অটো ছিনিয়ে নিতো। আবার কখনো অটো রাখার জায়গা থেকে নিয়েও পালিয়ে যেত। এই চক্রটি অটো চালাতে বেশ দক্ষ। তাই অটো চুরি করে দ্রুত পালিয়ে যেতে তারা বেশ পটু।
জেলা গোয়েন্দা গোয়েন্দা পুলিশের (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, অনেকদিন যাবৎ এই চক্রটিতে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। দীর্ঘ অভিযানের পর আজ ধরতে পরেছি। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















