০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

উপাচার্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধনের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের বিবৃতি

বহিরাগত, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও শিবিরকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নাম ব্যবহার করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধন করার প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছে ইবি শাখা ছাত্রলীগ।

রবিবার (২৬ জুলাই) এ বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জরুরী সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, ছাত্রলীগ সবসময় ইতিবাচক কাজের ধারক এবং বাহক। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইতিবাচক কাজের অংশীদার হতে চায়। ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ বা কোন ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কথাটি ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। আমরা জানি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.হারুন উর রশীদ আসকারী একজন সৎ নির্লোভ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শবান একজন ব্যক্তি তার তার নামে মানববন্ধনের নামে কতিপয় বিতর্কিত ব্যক্তিরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে সাবেক শিবির কর্মীর হাতে ব্যানার তুলে দিয়েছেন এবং তা নিয়ে কিছু সংবাদ মাধ্যমে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাই পরবর্তীতে এই সমস্ত কাজ থেকে সকলকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এছাড়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন যে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নাম করে গুটিকয়েক সাবেক নেতা ও  পদপ্রত্যার্শী বিদ্রোহী ছাত্রলীগের দুই তিন জন নেতা- কর্মী, বহিরাগত, অছাত্র ও শিবির নেতাকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ এনে উপাচার্য অপসারণের দাবিতে কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডে মানব বন্ধন করেছে। এটা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের জন্য কলঙ্ক।  তারা অভিযোগ করেন, মিজানুর রহমান লালন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান তার ছাত্রত্ব নেই। ভুয়া প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তি হয়েও বার বার অকৃতকার্য করে ছাত্রত্ত্ব খোয়া গেছে তৌকির মাহফুজ মাসুদের, আরাফাত সিদ্দিকী ফয়সাল মন্দির ভাঙ্গার দায়ে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, যোবায়ের আহমদের ছাত্রত্ব নেই এবং তার বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। আর এসব বিতর্কিত ব্যাক্তিরা ইবি শাখা ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে  একজন বঙ্গবন্ধু গবেষক ইবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছে। যা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ বিতর্কিত করেছে। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ইবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এব্যাপারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, ভিসি বিরোধী আন্দোলনের সাথে ইবি শাখা ছাত্রলীগের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি সকলকে ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব কর্মকান্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য আহবান জানান।

ভিসির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে পলাশ বলেন, বর্তমান ভিসি ড. রাশিদ আসকারীর আমলে ক্যাম্পাসে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা সর্বমহলে প্রশংসিত। আসকারী মেয়াদের ২৫ দিনের মাথায় তারা কেন এখন এসব কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন তা সকলের জানা।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যখন প্রগতিশীল চর্চা ও অবকঠামোগত উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে ঠিক তখনই কিছু কুচক্রী মহল নানা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী’র বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত (২৫ জুলাই) কুষ্টিয়া শহরে কিছু বহিরাগত ও সাবেক ছাত্রলীগনেতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারীকে অপসারণের দাবিতে মানব বন্ধন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক মনির- সদস্য সচিব পুষ্পেন

উপাচার্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধনের প্রতিবাদে ইবি ছাত্রলীগের বিবৃতি

প্রকাশিত : ০৪:০৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০

বহিরাগত, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও শিবিরকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নাম ব্যবহার করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধন করার প্রতিবাদে বিবৃতি দিয়েছে ইবি শাখা ছাত্রলীগ।

রবিবার (২৬ জুলাই) এ বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জরুরী সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, ছাত্রলীগ সবসময় ইতিবাচক কাজের ধারক এবং বাহক। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইতিবাচক কাজের অংশীদার হতে চায়। ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ বা কোন ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কথাটি ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। আমরা জানি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড.হারুন উর রশীদ আসকারী একজন সৎ নির্লোভ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শবান একজন ব্যক্তি তার তার নামে মানববন্ধনের নামে কতিপয় বিতর্কিত ব্যক্তিরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে সাবেক শিবির কর্মীর হাতে ব্যানার তুলে দিয়েছেন এবং তা নিয়ে কিছু সংবাদ মাধ্যমে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাই পরবর্তীতে এই সমস্ত কাজ থেকে সকলকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হলো।

এছাড়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন যে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নাম করে গুটিকয়েক সাবেক নেতা ও  পদপ্রত্যার্শী বিদ্রোহী ছাত্রলীগের দুই তিন জন নেতা- কর্মী, বহিরাগত, অছাত্র ও শিবির নেতাকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ এনে উপাচার্য অপসারণের দাবিতে কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডে মানব বন্ধন করেছে। এটা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের জন্য কলঙ্ক।  তারা অভিযোগ করেন, মিজানুর রহমান লালন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান তার ছাত্রত্ব নেই। ভুয়া প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তি হয়েও বার বার অকৃতকার্য করে ছাত্রত্ত্ব খোয়া গেছে তৌকির মাহফুজ মাসুদের, আরাফাত সিদ্দিকী ফয়সাল মন্দির ভাঙ্গার দায়ে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, যোবায়ের আহমদের ছাত্রত্ব নেই এবং তার বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। আর এসব বিতর্কিত ব্যাক্তিরা ইবি শাখা ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে  একজন বঙ্গবন্ধু গবেষক ইবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছে। যা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্রলীগ বিতর্কিত করেছে। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ইবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

এব্যাপারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ বলেন, ভিসি বিরোধী আন্দোলনের সাথে ইবি শাখা ছাত্রলীগের কোন সম্পৃক্ততা নেই। তিনি সকলকে ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব কর্মকান্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য আহবান জানান।

ভিসির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে পলাশ বলেন, বর্তমান ভিসি ড. রাশিদ আসকারীর আমলে ক্যাম্পাসে যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে তা সর্বমহলে প্রশংসিত। আসকারী মেয়াদের ২৫ দিনের মাথায় তারা কেন এখন এসব কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন তা সকলের জানা।

উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যখন প্রগতিশীল চর্চা ও অবকঠামোগত উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে ঠিক তখনই কিছু কুচক্রী মহল নানা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী’র বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত (২৫ জুলাই) কুষ্টিয়া শহরে কিছু বহিরাগত ও সাবেক ছাত্রলীগনেতা উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারীকে অপসারণের দাবিতে মানব বন্ধন করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / ইমরান মাসুদ