০৯:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চীনা ভ্যাকসিন বছরের শেষদিকে বাজারে আসবে

ছবি : সংগৃহীত

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চীন সম্ভাব্য যে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে তা এ বছরের শেষ নাগাদ খুচরা বিক্রির জন্য বাজারে আসবে। এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি সিনোফার্ম। কোম্পানি প্রধানের বরাতে এ সংবাদ জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি।

এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরের শেষদিকে বাণিজ্যিক বিক্রির উদ্দেশে ভ্যাকসিনটি বাজারে ছাড়া হবে জানিয়ে সিনোফার্মার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন দেশটির একটি দৈনিককে বলেছেন, এর দাম হবে এক হাজার ইয়েন বা ১৪০ মার্কিন ডলালের কম। ২৮ দিনের ব্যবধানে দুটি ধাপে ভ্যাকসিনটি দেওয়া হবে।

ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র হিসেবে পরিচিতি ওই দৈনিককে সিনোফার্মার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন আরও বলেন, সাধারণত বড় বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিনটি দেওয়ার প্রয়োজন হবে; তবে খুব কম জনবসতিপূর্ণ গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীদের জন্য আপাতত তার প্রয়োজন পড়বে না।

গুয়ামিং ডেইলি নামের ওই দৈনিকে মঙ্গলবার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ১৪০ কোটি মানুষকেই এ ভ্যাকসিন নিতে হবে না।’ করোনা প্রতিরোধে দুটি ভ্যাকসিন পরীক্ষা করছে সিনোফার্মা। বছরে ২২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন লিউ জিংজেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

চীনা ভ্যাকসিন বছরের শেষদিকে বাজারে আসবে

প্রকাশিত : ১১:১৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চীন সম্ভাব্য যে ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে তা এ বছরের শেষ নাগাদ খুচরা বিক্রির জন্য বাজারে আসবে। এই ভ্যাকসিনটি তৈরি করছে চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি সিনোফার্ম। কোম্পানি প্রধানের বরাতে এ সংবাদ জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি।

এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরের শেষদিকে বাণিজ্যিক বিক্রির উদ্দেশে ভ্যাকসিনটি বাজারে ছাড়া হবে জানিয়ে সিনোফার্মার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন দেশটির একটি দৈনিককে বলেছেন, এর দাম হবে এক হাজার ইয়েন বা ১৪০ মার্কিন ডলালের কম। ২৮ দিনের ব্যবধানে দুটি ধাপে ভ্যাকসিনটি দেওয়া হবে।

ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র হিসেবে পরিচিতি ওই দৈনিককে সিনোফার্মার চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন আরও বলেন, সাধারণত বড় বড় শহরগুলোর শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের ভ্যাকসিনটি দেওয়ার প্রয়োজন হবে; তবে খুব কম জনবসতিপূর্ণ গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীদের জন্য আপাতত তার প্রয়োজন পড়বে না।

গুয়ামিং ডেইলি নামের ওই দৈনিকে মঙ্গলবার প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ১৪০ কোটি মানুষকেই এ ভ্যাকসিন নিতে হবে না।’ করোনা প্রতিরোধে দুটি ভ্যাকসিন পরীক্ষা করছে সিনোফার্মা। বছরে ২২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করেছেন লিউ জিংজেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার