ঢাকার কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুন:দখলকৃত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটি এ’র উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার হাসনাবাদ এলাকায় পোস্তাগোলা ব্রীজের দুইপাশে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এই উচ্ছেদ অভিযানে কাঁচা-পাকা ও আধাপাকা প্রায় অর্ধশত অবৈধ দোকান-পাট.টংঘর ও অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় নদীর তীরে রাখা চারটি প্রতিষ্ঠানের ইট,বালু,পাথর ও সিলেকশন বালু ৮লক্ষ ৬০হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়। উচ্ছেদ অভিযান সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে।
উচ্ছেদকৃত জায়গায় বিআইডব্লিউটিএ’র সদরঘাট নদীবন্দরের উদ্যোগে এখন বৃক্ষ রোপন করা হবে। উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জামিল মাহবুব। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র সদরঘাটা নদী বন্দরের সিনিয়র যুগ্ন পরিচালক আরিফ উদ্দিন, সহকারী পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে বিআইডবিলউটিএ’র মোঃ নাদিম(৫০) নামে একজন শ্রমিকের বাম পায়ের উপর একটি দেয়াল পড়ে পাটি ভেঙ্গে যায়। তাকে দ্রুত মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাহবুল জামিল বলেন,ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর তীরে নতুন করে কেউ যেন জায়গা দখল করতে না পারে সে জন্য আমরা এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছি।
নদীর তীরে পুন:দখলকৃত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নদীর তীরে অবৈধভাবে রাখা চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ইট,বালু, পাথর ৮লক্ষ ৬০হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করে সরকারের কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র সদরঘাট নদীবন্দরের সিনিয়র যুগ্ন পরিচালক আরফি উদ্দিন বলেন, বুড়িগঙ্গার তীরে হাসনাবাদ এলাকায় পোস্তাগোলা ব্রীজের দুইপাশে আমরা একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি। কিন্তু দুংখের বিষয় উচ্ছেদ অভিযানের পরেই আবার সেখানে নতুন করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান-পাট ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠে। তাই এবার উচ্ছেদকৃত জায়গা দৃষ্টিনন্দন করার জন্য সেখানে আমরা বৃক্ষ রোপন করব এবং মানুষের বসার স্থান নির্মান করব।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ


























