০৪:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

পার্লামেন্টে বসে পর্ন ভিডিও দেখতে চান বৃটিশ এমপিরা

গত বছরের শেষের দিকে ব্রিটেনের হাউজ অফ পার্লামেন্টে অনলাইনে পর্ন ভিডিও দেখার আবেদন জমা পড়ছে। সংখ্যায় যা দিনে প্রায় ১৬০টি। ব্রিটেনের এক সংবাদ মাধ্যম একথা জানিয়েছে।

গত জুন মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭৩টি বার পর্নগ্রাফি দেখতে চাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে খবর। এ নিয়ে পার্লামেন্ট এখন বেশ চাপে রয়েছে। ওয়েস্ট মিনিস্টারে ইতিমধ্যেই যৌনতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এ ব্যপার নিয়ে যথেষ্ট বিচলিত। দীর্ঘদিনের বন্ধু ড্যামিয়েন গ্রিনকে তিনি গতমাসে সরিয়ে দিতে করতে একপ্রকার বাধ্য হন। গ্রিন পুলিশকে ভুলপথে চালনা করছিলেন বলে অভিযোগ। ২০০৮ সালে ওয়েস্ট মিনিস্টারে তার অফিসের কম্পিউটারে পর্নগ্রাফি পাওয়া গিয়েছিল।

পার্লামেন্টারি নেটওয়ার্ক একমাত্র সাংসদ, উচ্চকক্ষের লর্ড ও তাদের কর্মীরা এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, বেশিরভাগ প্রচেষ্টাই ইচ্ছাকৃত। ২০১৬ সালে ১ লাখ ১৩ হাজার ২০৮টি আবেদন এসেছিল। গতবছর এসেছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ২০টি আবেদন।

পার্লামেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, পার্লামেন্টের কম্পিউটার থেকে একটি পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইট মুছে ফেলা হয়েছে। যারা পর্নগ্রাফি খোলার চেষ্টা করছে, তারা সক্ষম হচ্ছে না। এখন পার্লামেন্টের ওয়াইফাই দিয়ে লগইন করলে সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত ডেটাও ধরা পড়ছে। ফলে এবার এই প্রচেষ্টা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/৮ জানুয়ারি ২০১৮/এফএ শোভন

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

পার্লামেন্টে বসে পর্ন ভিডিও দেখতে চান বৃটিশ এমপিরা

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৮

গত বছরের শেষের দিকে ব্রিটেনের হাউজ অফ পার্লামেন্টে অনলাইনে পর্ন ভিডিও দেখার আবেদন জমা পড়ছে। সংখ্যায় যা দিনে প্রায় ১৬০টি। ব্রিটেনের এক সংবাদ মাধ্যম একথা জানিয়েছে।

গত জুন মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭৩টি বার পর্নগ্রাফি দেখতে চাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে খবর। এ নিয়ে পার্লামেন্ট এখন বেশ চাপে রয়েছে। ওয়েস্ট মিনিস্টারে ইতিমধ্যেই যৌনতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এ ব্যপার নিয়ে যথেষ্ট বিচলিত। দীর্ঘদিনের বন্ধু ড্যামিয়েন গ্রিনকে তিনি গতমাসে সরিয়ে দিতে করতে একপ্রকার বাধ্য হন। গ্রিন পুলিশকে ভুলপথে চালনা করছিলেন বলে অভিযোগ। ২০০৮ সালে ওয়েস্ট মিনিস্টারে তার অফিসের কম্পিউটারে পর্নগ্রাফি পাওয়া গিয়েছিল।

পার্লামেন্টারি নেটওয়ার্ক একমাত্র সাংসদ, উচ্চকক্ষের লর্ড ও তাদের কর্মীরা এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, বেশিরভাগ প্রচেষ্টাই ইচ্ছাকৃত। ২০১৬ সালে ১ লাখ ১৩ হাজার ২০৮টি আবেদন এসেছিল। গতবছর এসেছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ২০টি আবেদন।

পার্লামেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, পার্লামেন্টের কম্পিউটার থেকে একটি পর্নোগ্রাফির ওয়েবসাইট মুছে ফেলা হয়েছে। যারা পর্নগ্রাফি খোলার চেষ্টা করছে, তারা সক্ষম হচ্ছে না। এখন পার্লামেন্টের ওয়াইফাই দিয়ে লগইন করলে সেই ব্যক্তির ব্যক্তিগত ডেটাও ধরা পড়ছে। ফলে এবার এই প্রচেষ্টা কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/৮ জানুয়ারি ২০১৮/এফএ শোভন