নাটোরে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী এক শিশুকে বেঁধে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষুদ্ধ হয়ে বাড়িটি ঘেরাও করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। একইসঙ্গে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া অভিযুক্ত তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় জনরোষ এড়াতে অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী শাহানাজ পারভীন, শ্যালক মাহফুজুর রহমান সুজন, শালিকা শিউলি খাতুন পুলিশ ভ্যানে উঠে আত্নরক্ষা করেন। পরে বিকেলে মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তিনজনকে আটক করেন। তারা হলেন, শাহনাজ বেগম, মাহফুজুর রহমান সুজন ও শিউলী খাতুন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে শহরের বড়হরিশপুর চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় ক্রিকেট খেলছিল এলাকার কিছু শিশু। এক পর্যায়ে বল চলে যায় ওই পুলিশ সদস্যের বাড়িতে। এসময় বাক প্রতিবন্ধী শিশু জাবেদ হোসেন বল আনতে ওই বাড়িতে ঢুকলে তাকে বেঁধে নির্যাতন চালায় ওই পরিবার। বিয়ষটি টের পেয়ে এলাকাবাসী বিক্ষুদ্ধ হয়ে বাড়িটি ঘেরাও করে। খবর পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে তাকে লাঞ্ছিত করে স্থানীয় জনতা। তবে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য হাবিবুর রহমানের দাবি, ওই শিশু জাবেদকে বেধে রাখা হয়েছিল মাত্র। কিন্তু তাকে মারপিট বা নির্যাতন করা হয়নি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই ঘটনায় ওই শিশুটির মামা বাদি হয়ে বিকেলে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে ওই সাবেক পুলিশ পরিবারের সদস্য শিউলি, সুজন ও শাহনাজকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর






















