১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

গণহত্যার প্রতিবাদে শাহবাগে রাখাইনদের বিক্ষোভ

মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ করেছে ‘রাখাইন কমিউনিটি অফ বাংলাদেশ’। রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।

সংগঠনের আহ্বায়ক ক্যাঞিং অভিযোগ করে বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সুকৌশলে এবং পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে নির্যাতন, ধর্ষণ, লুণ্ঠন গুলিবর্ষণসহ বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো আইনের তোয়াক্কা না করে মানবতাবিরোধী হত্যাযজ্ঞ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এ জঘন্য অপরাধ এবং মানবতা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আজকে আমরা যদি প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন না করি, তাহলে তারা এই অমানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে। এতে এক সময় রাখাইন জনগণ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ইন্টারনেট বন্ধ রেখে ‘গণহত্যার খবর’ গোপন করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন ক্যাঞিং।

এই সমাবেশে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গণহত্যার ঘটনায় ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসে গাম্বিয়া যখন অভিযোগ করেছে, তখন তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও রাখাইনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবি করছে। ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম) এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদের মধ্যে রাখাইন কমিউনিটি অব বাংলাদেশের সভাপতি মাং শাইরি, মুখপাত্র থং ইউ, রাখাইন স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু সে সমাবেশে বক্তব্য দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ট্রেনে ঈদ যাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি আজ

গণহত্যার প্রতিবাদে শাহবাগে রাখাইনদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ০৫:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২০

মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের’ প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ করেছে ‘রাখাইন কমিউনিটি অফ বাংলাদেশ’। রোববার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।

সংগঠনের আহ্বায়ক ক্যাঞিং অভিযোগ করে বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সুকৌশলে এবং পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন গ্রামে ঢুকে নির্যাতন, ধর্ষণ, লুণ্ঠন গুলিবর্ষণসহ বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কোনো আইনের তোয়াক্কা না করে মানবতাবিরোধী হত্যাযজ্ঞ ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এ জঘন্য অপরাধ এবং মানবতা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আজকে আমরা যদি প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন না করি, তাহলে তারা এই অমানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে। এতে এক সময় রাখাইন জনগণ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ইন্টারনেট বন্ধ রেখে ‘গণহত্যার খবর’ গোপন করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন ক্যাঞিং।

এই সমাবেশে যোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গণহত্যার ঘটনায় ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসে গাম্বিয়া যখন অভিযোগ করেছে, তখন তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও রাখাইনে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবি করছে। ইনডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইএমএম) এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদের মধ্যে রাখাইন কমিউনিটি অব বাংলাদেশের সভাপতি মাং শাইরি, মুখপাত্র থং ইউ, রাখাইন স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু সে সমাবেশে বক্তব্য দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর