বাড়ছে সেবার বহর, গ্রাম হবে শহর” এই প্রতিপাদ্যে লালমনিরহাট সদর উপজেলা কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা সায়হান সৈকত এর আয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার দুপুর ১২.৩০মিনিটে মুজিব শতবর্ষ ই-সেবা ক্যাম্পেইন ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে ই-সেবা ক্যাম্পেইন বাড়ছে সেবার বহর গ্রাম হবে শহর এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় ১১ অক্টোবর থেকে মুজিব শতবর্ষে লালমনিরহাটের কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে মাসব্যাপী ই-সেবা ক্যাম্পেইন কার্যক্রম চালু হয়েছে।
তৃণমূলের সেবার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার/ কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ সায়হান সৈকত এ উপলক্ষ্যে দিন ব্যাপি কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কেক কাটা, আলোচনা সভা , লিফলেট বিতরণ, মোবাইলের মাধ্যমে প্রচারনা হিসাবে ক্ষুদ্রু বার্তা, ভয়েস ম্যাসেজ কল, ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ভিডিও প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জি আর সারোয়ার, সহকারী কমিশনার, ভূমি, সদর লালমনিরহাট।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেনজনাব, আশরাফুল আলম, সহকারী প্রোগ্রামার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর, সদর, লালমনিরহাট। আব্দুস সালাম মন্ডল সচিব ২নং কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ শহিদুল ইসলাম, উপ সহকারি কর্মকর্তা, কুলাঘাট ইউনিয়ন ভূমি অফিস। শাহজাহান আলী জুয়েল প্রধান শিক্ষক, কুলাঘাট উচ্চ বিদ্যালয়। সভাপতিত্ব করবেন জনাব ইদ্রিস আলী, চেয়ারম্যান, ২নং কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ, সদর,লালমনিরহাট। সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজন এতে উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ সায়হান সৈকত, বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেখানো স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ কে বাস্তবে রুপান্তর করতে পেরে ও ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে সেবার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত কুলাঘাট ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার করতে পেরে গর্বিত মনে করি এবং সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই এটুআইয়ের সকল স্যারদের যাদের কারণে আজ ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল সৈনিক হিসাবে গড়ার জন্য।
প্রসঙ্গত জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি বেসরকারি সকল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে দেশের ৪ হাজার ৫ শ ১ টি ইউনিয়ন পরিষদে একযোগে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করেন সেটি বর্তমানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার নামে পরিচিত যা তৃণমূল পর্যায়ে ২০০ টিরও বেশি সরকারি বেসরকারি সেবা প্রদান করে আসছে এবং যুক্ত হতে চলছে আরও বেশ কিছু সেবাও। ফলে বেঁচে যাচ্ছে সময়, কমছে দূরত্ব ও খরচ এবং বাস্তবে রূপ নিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ























