১১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ভোলায় অভিযানের পূর্ব মুহুর্তে আড়ৎগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়

  • গজনবী, ভোলা
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০
  • 80

জাতীয় মৎস্য সম্পদ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশের ৩৬ টি জেলায় ইলিশ প্রজনন প্রধান মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় (সংরক্ষন) ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর (২৯ আর্শিন থেকে ১৯ কার্তিক) পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ সহ সকল ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কঠোর আইনের ঘোষণা রেখে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ ,পরিবহন , মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে ৩৬ জেলার ১৫৩ উপজেলায় মোট ৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২টি কর্মহীন জেলে পরিবারকে ভিজিএফ এর আওতায় জনপ্রতি ২০ কেজি করে মোট ১০ হাজার ৫৬৭ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, সরকারের ঘোষিত আইন বাস্তবায়ন করতে প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের পাশাপাশি, নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ কাজ করবে। এ জেলায় ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমুদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলা মৎস্য সংরক্ষন বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে। জেলেদেরকে মৎস আহরণ থেকে বিরত রাখার জন্য অবহিতকরণ সভা, পোস্টার, লিফলেট বিতরণ সহ মাইকিং চালানো হচ্ছে। ভোলা জেলায় ১লাখ ২০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য জনপ্রতি ২০ কেজি করে মোট ২ হাজার ৪শ মেট্রেক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। দুই থেকে চার দিনের মধ্যে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে। এবারই ১ম জেলেদের প্রাপ্যতা (২০ কেজি চাল) নিশ্চিত করতে ৭ টি উপজেলায় ৬ লক্ষ টাকা চাল পরিবহন বাবদ প্রাদান করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার পূর্ব মুহূর্তে ভোলার মাছের আড়ৎ গুলোতে লক্ষ করা গেছে সাধারণ ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ২২ দিন মেঘনা-তেতুলিয়া সহ অন্যান্য নদ- নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে তাই শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা মাছ ক্রয় করতে আড়ৎ গুলোতে ভীড় জমায়।
ভোলার মেঘনা পাড়ের ট্রলার মালিক ও জেলারা জানান, বিগত দিনে অভিযানের পর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ তাদের জালে ধরা পড়েছে। তারা সরকারের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকবেন বলে জানান। এই কর্মহীন সময়ে যেনো তাদের বিকল্প কর্মসূচির ব্যবস্থা করে দেয়া হয় সেজন্য সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভোলায় অভিযানের পূর্ব মুহুর্তে আড়ৎগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়

প্রকাশিত : ০৬:৩৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

জাতীয় মৎস্য সম্পদ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশের ৩৬ টি জেলায় ইলিশ প্রজনন প্রধান মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় (সংরক্ষন) ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর (২৯ আর্শিন থেকে ১৯ কার্তিক) পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ সহ সকল ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কঠোর আইনের ঘোষণা রেখে দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ ,পরিবহন , মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে ৩৬ জেলার ১৫৩ উপজেলায় মোট ৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২টি কর্মহীন জেলে পরিবারকে ভিজিএফ এর আওতায় জনপ্রতি ২০ কেজি করে মোট ১০ হাজার ৫৬৭ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম আজহারুল ইসলাম জানান, সরকারের ঘোষিত আইন বাস্তবায়ন করতে প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের পাশাপাশি, নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ কাজ করবে। এ জেলায় ভোলা সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, তজুমুদ্দিন, লালমোহন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলা মৎস্য সংরক্ষন বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে। জেলেদেরকে মৎস আহরণ থেকে বিরত রাখার জন্য অবহিতকরণ সভা, পোস্টার, লিফলেট বিতরণ সহ মাইকিং চালানো হচ্ছে। ভোলা জেলায় ১লাখ ২০ হাজার জেলে পরিবারের জন্য জনপ্রতি ২০ কেজি করে মোট ২ হাজার ৪শ মেট্রেক টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। দুই থেকে চার দিনের মধ্যে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে। এবারই ১ম জেলেদের প্রাপ্যতা (২০ কেজি চাল) নিশ্চিত করতে ৭ টি উপজেলায় ৬ লক্ষ টাকা চাল পরিবহন বাবদ প্রাদান করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার পূর্ব মুহূর্তে ভোলার মাছের আড়ৎ গুলোতে লক্ষ করা গেছে সাধারণ ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ২২ দিন মেঘনা-তেতুলিয়া সহ অন্যান্য নদ- নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে তাই শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা মাছ ক্রয় করতে আড়ৎ গুলোতে ভীড় জমায়।
ভোলার মেঘনা পাড়ের ট্রলার মালিক ও জেলারা জানান, বিগত দিনে অভিযানের পর প্রচুর পরিমাণে ইলিশ তাদের জালে ধরা পড়েছে। তারা সরকারের এই অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকবেন বলে জানান। এই কর্মহীন সময়ে যেনো তাদের বিকল্প কর্মসূচির ব্যবস্থা করে দেয়া হয় সেজন্য সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর