০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ, ১২ নভেম্বর যুক্তি উপস্থাপন শুনানি

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আবু সিদ্দিকসহ তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। আর এই তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে দিয়েই সাক্ষ্য শেষ হলো। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরবর্তী সাফাই সাক্ষী ও যুক্তি উপস্থাপন শুনানির জন্য ১২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অপর দুই সাক্ষী হলেন– পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান ও সুবেদার শওকত আলী।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইলিয়াস মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় মোট ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৭-এর আদালত অভিযোগ গঠন করেন। গত ১৬ আগস্ট বিচারক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

গত ১৬ মার্চ মজনুকে একমাত্র আসামি করে ঢাকা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আবু সিদ্দিক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার অভিযোগপত্রে ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মজনুকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আদালতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় সে। জবানবন্দি শেষে তাকে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে মজনু কারাগারে রয়েছে।

গত ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টপে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করতে থাকে। মাঝপথে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ওই ব্যক্তি ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ, ১২ নভেম্বর যুক্তি উপস্থাপন শুনানি

প্রকাশিত : ০৩:৪১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২০

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আবু সিদ্দিকসহ তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। আর এই তিন জনের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে দিয়েই সাক্ষ্য শেষ হলো। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরবর্তী সাফাই সাক্ষী ও যুক্তি উপস্থাপন শুনানির জন্য ১২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অপর দুই সাক্ষী হলেন– পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান ও সুবেদার শওকত আলী।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইলিয়াস মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় মোট ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-৭-এর আদালত অভিযোগ গঠন করেন। গত ১৬ আগস্ট বিচারক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

গত ১৬ মার্চ মজনুকে একমাত্র আসামি করে ঢাকা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আবু সিদ্দিক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার অভিযোগপত্রে ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার আসামি মজনুকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১৬ জানুয়ারি আদালতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয় সে। জবানবন্দি শেষে তাকে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে মজনু কারাগারে রয়েছে।

গত ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টপে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করতে থাকে। মাঝপথে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে ওই ব্যক্তি ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।