০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রত্নাংকুর বনবিহারে ২৩তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

বিশ্বেরর সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলার রত্নাংকুর বনবিহারে দুইদিনব্যাপী ২৩তম দানোত্তম কঠিন চীবর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫নভেম্বর) রাতে চীবর বুননের মধ্যে দিয়ে শুক্রবার বিকেলে শেষ হয়েছে মহাদান কঠিন চীবর দানোৎস।

শুক্রবার সকালে সঙ্গীতশিল্পী জুলিপ্রু মারমার উদ্বোধনী ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে পঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধ মূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কঠিন চীবর দান, কল্পতরু দান, আকাশ প্রদীপ দানসহ নানাবিধ দান উৎসর্গ করা হয়।

পরে ভগবান বুদ্ধ ও সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের প্রতিচ্ছবিতে পুষ্পমাল্য প্রদানসহ ও ভিক্ষু সংঘকে ফুলের তোরা দিয়ে বরণ করে নেন পুর্ণ্যার্থীরা । বৌদ্ধদের এই সার্বজনীন কঠিন চীবর অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পুণ্যার্থীদের সমাগম ঘটে।

ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে অনুষ্ঠানে আসা পুণ্যার্থীদের লেবুর শরবত পরিবেশন করেন প্রিয় রাঙ্গামাটি সংগঠনসহ অন্যান্য সংগঠনের কর্মীরা।

বিশ্বের সকল প্রাণীর হিতসুখ ও মঙ্গল কামনায় পাঁচ মিনিট নিরবতা ( ভাবনা) করেন পুণ্যার্থীরা। দুপুরে কল্পতরু ও কঠিন চীবরকে পুরো উপজেলা প্রদক্ষিণ করে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ৪ মহাস্থবিরকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সঙ্গীতশিল্পী রুপায়ন চাকমা, বনি চাকমা ও অভিনয় চাকমা। পঞ্চশীল প্রার্থনা পাঠ করেন পাহাড়িকা চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি কমল কান্তি দেওয়ান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী রহমান তিন্নি, নানিয়ারচর জোন কমান্ডার, লে.কর্ণেল সালাহ উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ত্রিদিব কান্তি দাশসহ অন্যান্য প্রমূখ।

ধর্মদেশনা প্রদান করেন, ফুরমোন সাধনাতীর্থ আন্তর্জাতিক বনধ্যান কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ ভৃগু মমহাস্থবির, রত্নাংকুর বনবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ মহাস্থবির, চিত্তারাম বনবিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ মৈত্রী লংকার মহাস্থবির, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু ভদন্ত শ্রীমৎ মেত্তাবংশ মহাস্থবিরসহ অন্যান্য প্রমূখ ভিক্ষু।

বিজনেস বাংলাদেশ /বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

রত্নাংকুর বনবিহারে ২৩তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৬:০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২০

বিশ্বেরর সকল প্রাণীর মঙ্গল কামনায় রাঙ্গামাটি নানিয়ারচর উপজেলার রত্নাংকুর বনবিহারে দুইদিনব্যাপী ২৩তম দানোত্তম কঠিন চীবর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫নভেম্বর) রাতে চীবর বুননের মধ্যে দিয়ে শুক্রবার বিকেলে শেষ হয়েছে মহাদান কঠিন চীবর দানোৎস।

শুক্রবার সকালে সঙ্গীতশিল্পী জুলিপ্রু মারমার উদ্বোধনী ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যে দিয়ে পঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধ মূর্তি দান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কঠিন চীবর দান, কল্পতরু দান, আকাশ প্রদীপ দানসহ নানাবিধ দান উৎসর্গ করা হয়।

পরে ভগবান বুদ্ধ ও সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের প্রতিচ্ছবিতে পুষ্পমাল্য প্রদানসহ ও ভিক্ষু সংঘকে ফুলের তোরা দিয়ে বরণ করে নেন পুর্ণ্যার্থীরা । বৌদ্ধদের এই সার্বজনীন কঠিন চীবর অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পুণ্যার্থীদের সমাগম ঘটে।

ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে অনুষ্ঠানে আসা পুণ্যার্থীদের লেবুর শরবত পরিবেশন করেন প্রিয় রাঙ্গামাটি সংগঠনসহ অন্যান্য সংগঠনের কর্মীরা।

বিশ্বের সকল প্রাণীর হিতসুখ ও মঙ্গল কামনায় পাঁচ মিনিট নিরবতা ( ভাবনা) করেন পুণ্যার্থীরা। দুপুরে কল্পতরু ও কঠিন চীবরকে পুরো উপজেলা প্রদক্ষিণ করে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে ৪ মহাস্থবিরকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সঙ্গীতশিল্পী রুপায়ন চাকমা, বনি চাকমা ও অভিনয় চাকমা। পঞ্চশীল প্রার্থনা পাঠ করেন পাহাড়িকা চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি কমল কান্তি দেওয়ান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী রহমান তিন্নি, নানিয়ারচর জোন কমান্ডার, লে.কর্ণেল সালাহ উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ত্রিদিব কান্তি দাশসহ অন্যান্য প্রমূখ।

ধর্মদেশনা প্রদান করেন, ফুরমোন সাধনাতীর্থ আন্তর্জাতিক বনধ্যান কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ ভৃগু মমহাস্থবির, রত্নাংকুর বনবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ মহাস্থবির, চিত্তারাম বনবিহার অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ মৈত্রী লংকার মহাস্থবির, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু ভদন্ত শ্রীমৎ মেত্তাবংশ মহাস্থবিরসহ অন্যান্য প্রমূখ ভিক্ষু।

বিজনেস বাংলাদেশ /বিএইচ