০৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

হবিগঞ্জে ‘এসপির চোখ’র উদ্বোধন

হবিগঞ্জে থানাগুলোতে দালালমুক্তকরণ, অপরাধপ্রবণতা দূরীকরণসহ স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘এসপির চোখ’ নামে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। থানার হাজতখানা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষসহ থানার কার্যক্রম মনিটরিং করার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

এসব ক্যামেরা মোবাইল ফোন এবং মনিটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেলের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপাররা।

সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

এ সময় হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. ইসামঈল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহির ও হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ বক্তৃতা করেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা জানান, থানা এলাকায় বা থানার ভেতরের কার্যক্রম মনিটরিং করা এবং অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম একাধিক কর্মকর্তা মনিটরিং করবেন। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও বিষয়টি মনিটরিং করবেন। ফলে পুলিশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসার পাশাপাশি থানা দালালমুক্ত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

হবিগঞ্জে ‘এসপির চোখ’র উদ্বোধন

প্রকাশিত : ০৯:২০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২০

হবিগঞ্জে থানাগুলোতে দালালমুক্তকরণ, অপরাধপ্রবণতা দূরীকরণসহ স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ‘এসপির চোখ’ নামে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। থানার হাজতখানা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষসহ থানার কার্যক্রম মনিটরিং করার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

এসব ক্যামেরা মোবাইল ফোন এবং মনিটরের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সার্কেলের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপাররা।

সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

এ সময় হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি মো. ইসামঈল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহির ও হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ বক্তৃতা করেন।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা জানান, থানা এলাকায় বা থানার ভেতরের কার্যক্রম মনিটরিং করা এবং অধিকতর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম একাধিক কর্মকর্তা মনিটরিং করবেন। তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও বিষয়টি মনিটরিং করবেন। ফলে পুলিশি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসার পাশাপাশি থানা দালালমুক্ত হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ