০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২০ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) দিনের শুরুতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপরে ‘চির উন্নত মম শির’ ও সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান।

দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। বক্তব্যের শুরুতে বুদ্ধিজীবী দিবসে নিহত সকল শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্তার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যার প্রেক্ষাপটের কথা স্মরণ করে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, একাত্তরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছিল আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। কার কোন বাড়ির ঠিকানা সবকিছু তারাই জানতো। ভাবতে পারেন কি নিষ্ঠুর, কি নির্মম, কি বর্বরভাবে হত্যা করা হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের! এই দেশবিরোধী শক্তি যেন আর কখনো ক্ষমতার মসনদে আসতে না পারে সেদিকে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথার স্মরণ করে প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে, লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে একাত্তর সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিলো। সে বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আমি বাঙালির অহংকার, মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই। গতকাল ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ঘোষণা করেছে। তারা বিশাল সম্মান আমাদের জাতির পিতাকে দিয়েছে। গোটা পৃথিবী থেকে একটা বিশাল স্বীকৃতি আমাদের জাতির পিতা পেয়েছে। আমরা গর্বিত।

শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন কর্মসূচীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু নীল দল, কর্মকর্তা পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, কর্মচারী সমিতিসহ অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতি সংগঠনও পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। কর্মসূচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর, কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ সাহাবউদ্দিন, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. সুব্রত কুমার দে, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মোঃ সুজন আলীসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দুপুরে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

প্রকাশিত : ০৪:০৪:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-২০২০ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) দিনের শুরুতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপরে ‘চির উন্নত মম শির’ ও সর্বশেষ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান।

দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের পাদদেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। বক্তব্যের শুরুতে বুদ্ধিজীবী দিবসে নিহত সকল শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্তার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।

বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে হত্যার প্রেক্ষাপটের কথা স্মরণ করে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, একাত্তরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের বাড়ি চিনিয়ে দিয়েছিল আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। কার কোন বাড়ির ঠিকানা সবকিছু তারাই জানতো। ভাবতে পারেন কি নিষ্ঠুর, কি নির্মম, কি বর্বরভাবে হত্যা করা হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবিদের! এই দেশবিরোধী শক্তি যেন আর কখনো ক্ষমতার মসনদে আসতে না পারে সেদিকে আমাদের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথার স্মরণ করে প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে, লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে একাত্তর সালের ১৬ ডিসেম্বর আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়েছিলো। সে বিজয় দিবসের প্রাক্কালে আমি বাঙালির অহংকার, মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধা জানাই। গতকাল ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর নামে একটি আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ঘোষণা করেছে। তারা বিশাল সম্মান আমাদের জাতির পিতাকে দিয়েছে। গোটা পৃথিবী থেকে একটা বিশাল স্বীকৃতি আমাদের জাতির পিতা পেয়েছে। আমরা গর্বিত।

শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন কর্মসূচীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু নীল দল, কর্মকর্তা পরিষদ, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, কর্মচারী সমিতিসহ অন্যান্য সামাজিক ও সাংস্কৃতি সংগঠনও পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। কর্মসূচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মোঃ হুমায়ুন কবীর, কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ সাহাবউদ্দিন, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. সুব্রত কুমার দে, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মোঃ সুজন আলীসহ অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দুপুরে বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর