নিয়োগ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ৭৬তম দিনে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে আন্দোলন শিথিল করার ঘোষণা দেন নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মাদ বাহাদুর।
এর আগে ১ অক্টোবর নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই দিন থেকে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।
ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সাবেক উপাচার্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৮ এপ্রিল নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সব পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই স্থগিত আদেশের দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো স্থগিত আদেশ তুলে নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক ও কর্মকর্তার সংকট চললেও নতুন করে নিয়োগ দিতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
কোর্স শেষ করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় শিক্ষার্থীরা
এতদিন ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের বিষয়ে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান সারাক্ষণ’কে বলেন, শিক্ষকদের আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলাম আমরা শিক্ষার্থীরা। দেশের সব জায়গায় অনলাইন ক্লাস চলমান থাকলেও ৭৫ দিন আমরা ক্লাস থেকে বঞ্চিত হয়েছি যা আমাদের শিক্ষাজীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলবে।
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল কবির ফারহান বলেন, শিক্ষকদের আন্দোলনের সময় তারা বারবার বলেছেন আমাদের ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন। কিন্তু কোন উপায়ে ক্ষতি পুষিয়ে দেবেন তা কখনো বলেননি। তাই আমরা আশঙ্কা করছি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসে না পড়িয়ে কোর্স শেষ করা হতে পারে।
প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তানভীরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের এ সিদ্বান্তকে সাধুবাদ জানাই। তবে, আন্দোলনে কারণে আমাদের যে ক্ষতি হয়েছে ; তা পুষিয়ে নিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর


























