০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

তথ্য গোপনের অভিযোগে ৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

মেডিকেল সার্টিফিকেটের প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল প্রথম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা বেগমের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাজন রবিদাস।

মামলার আসামিরা হলেন-চিকিৎসক এবিএম মুছা চৌধুরী, মির্জা মো. সায়েফ, সোলাইমান মিয়া, ফাইজুর রহমান ফয়েজ, খান রিয়াজ মাহমুদ ও রানা নূরুস সামস।

মামলার এজাহারের বলা হয়, চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সাজন রবিদাসের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর রাহাত মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকরা আদালতে যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে আহতদের সাধারণ জখম দেখানো হয়েছে।

এক্ষেত্রে সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও এক্সরে রিপোর্ট আমলে নেওয়া হয়নি। চিকিৎসকরা নিজেরা লাভবানের উদ্দেশ্যে প্রকৃত অবস্থার বিপরীতে রিপোর্ট প্রদান করে অপরাধ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রানা নূরুস শামস বলেন, শুনেছি আদালতে মামলার আবেদন করেছে। আমার যা বলার আদালতেই বলব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

তথ্য গোপনের অভিযোগে ৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত : ১০:৪৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

মেডিকেল সার্টিফিকেটের প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল প্রথম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা বেগমের আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সাজন রবিদাস।

মামলার আসামিরা হলেন-চিকিৎসক এবিএম মুছা চৌধুরী, মির্জা মো. সায়েফ, সোলাইমান মিয়া, ফাইজুর রহমান ফয়েজ, খান রিয়াজ মাহমুদ ও রানা নূরুস সামস।

মামলার এজাহারের বলা হয়, চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সাজন রবিদাসের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর রাহাত মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকরা আদালতে যে প্রতিবেদন দিয়েছেন, তাতে আহতদের সাধারণ জখম দেখানো হয়েছে।

এক্ষেত্রে সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও এক্সরে রিপোর্ট আমলে নেওয়া হয়নি। চিকিৎসকরা নিজেরা লাভবানের উদ্দেশ্যে প্রকৃত অবস্থার বিপরীতে রিপোর্ট প্রদান করে অপরাধ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রানা নূরুস শামস বলেন, শুনেছি আদালতে মামলার আবেদন করেছে। আমার যা বলার আদালতেই বলব।