০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমি ষড়যন্ত্রের শিকার: আওয়ামী লীগের মহিলা এমপি

নিজেকের ষড়ন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদ।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে, সরাইল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনির আত্মীয় ও অমুক্তিযোদ্ধার নাম প্রস্তাব করেননি বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন সাংসদ শিউলি আজাদ।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম প্রস্তাব আমি করিনি। এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপ্রয়াস করছেন ষড়যন্ত্রকারীরা।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারাই প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম আমার কাছে প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে বির্তক থাকায় আমি তা সরাসরি প্রত্যাখান করি। পরবর্তীতে আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করি। তাঁকে নিয়ে সরাইলে তেমন কোনো বির্তক নেই।

সাংসদ শিউলি তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, সরাইলের কতিপয় একজন জনপ্রতিনিধি আমার স্বামী আ.লীগ নেতা শহীদ ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। এই সময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সঠিক তথ্য জানতে সরাইল উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথে কথা বলতে বলেন। তবে এই ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুল জানান সরাইল উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কালাম আজাদ। তবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজান নামে কোন সদস্য নাই বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার দুপুরে সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আয়োজনে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুলের সঙ্গে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা করে। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি তাহের উদ্দিন ঠাকুরের চাচাতো ভাই ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম প্রস্তাবের অভিযোগে মহিলা সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা শিউলী আজাদ, এম.পি অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেন তার স্বামী সরাইলে জনপ্রিয় আ.লীগ নেতা শহীদ ইকবাল আজাদ হত্যা মামলা অন্যতম আসামি সরাইল উপজেলা পরিষদে বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরের সমর্থক মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ। এর ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে বির্তক ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

আমি ষড়যন্ত্রের শিকার: আওয়ামী লীগের মহিলা এমপি

প্রকাশিত : ০৭:৩১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২০

নিজেকের ষড়ন্ত্রের শিকার বলে দাবি করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম শিউলি আজাদ।

মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে, সরাইল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনির আত্মীয় ও অমুক্তিযোদ্ধার নাম প্রস্তাব করেননি বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন সাংসদ শিউলি আজাদ।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম প্রস্তাব আমি করিনি। এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাকে বিতর্কিত করার অপ্রয়াস করছেন ষড়যন্ত্রকারীরা।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারাই প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম আমার কাছে প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে বির্তক থাকায় আমি তা সরাসরি প্রত্যাখান করি। পরবর্তীতে আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করি। তাঁকে নিয়ে সরাইলে তেমন কোনো বির্তক নেই।

সাংসদ শিউলি তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন, সরাইলের কতিপয় একজন জনপ্রতিনিধি আমার স্বামী আ.লীগ নেতা শহীদ ইকবাল আজাদ হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। এই সময় তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সঠিক তথ্য জানতে সরাইল উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাথে কথা বলতে বলেন। তবে এই ব্যাপারে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুল জানান সরাইল উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কালাম আজাদ। তবে ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজান নামে কোন সদস্য নাই বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার দুপুরে সরাইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আয়োজনে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদুলের সঙ্গে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা করে। সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি তাহের উদ্দিন ঠাকুরের চাচাতো ভাই ঠাকুর মেজবাহ উদ্দিন মিজানের নাম প্রস্তাবের অভিযোগে মহিলা সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা শিউলী আজাদ, এম.পি অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেন তার স্বামী সরাইলে জনপ্রিয় আ.লীগ নেতা শহীদ ইকবাল আজাদ হত্যা মামলা অন্যতম আসামি সরাইল উপজেলা পরিষদে বর্তমান চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরের সমর্থক মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ। এর ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে বির্তক ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে।