০৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

২০১৯ এর তুলনায় ২০২০ সালে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে দেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলার। ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার। এই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩৪১ কোটি ডলার। টাকার অঙ্কে যা প্রায় ২৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা।

প্রবাসী আয় বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে ডলারের বিপরীতে টাকার স্থির মান। টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যমান কমে গেলে ধস নামতো প্রবাসী আয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ব্যবস্থাপনা বড় ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্সের বিপরীতে সরকারি ও ব্যাংকগুলোর নিজস্ব প্রণোদনা এবং হুন্ডির লেনদেন কমাতে সরকারের কার্যকরি উদ্যোগের কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৫ কোটি ডলার। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ডলার।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২০) প্রবাসীরা দেশে ১ হাজার ২৯৪ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯৪০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত রেমিট্যান্স কখনও আসেনি। আগস্টে আসে ১৯৬ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২১০ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। সর্বশেষ ডিসেম্বরে এসেছে ২০৫ কোটি ৬ লাখ ডলার, দেশিয় মুদ্রায় যা প্রায় ১৭ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

২০১৯ এর তুলনায় ২০২০ সালে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

প্রকাশিত : ০৩:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ জানুয়ারী ২০২১

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আহরণ করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে দেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলার। ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার। এই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩৪১ কোটি ডলার। টাকার অঙ্কে যা প্রায় ২৮ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা।

প্রবাসী আয় বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে ডলারের বিপরীতে টাকার স্থির মান। টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যমান কমে গেলে ধস নামতো প্রবাসী আয়ে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার ব্যবস্থাপনা বড় ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি রেমিট্যান্সের বিপরীতে সরকারি ও ব্যাংকগুলোর নিজস্ব প্রণোদনা এবং হুন্ডির লেনদেন কমাতে সরকারের কার্যকরি উদ্যোগের কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৫ কোটি ডলার। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ডলার।

চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২০) প্রবাসীরা দেশে ১ হাজার ২৯৪ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯৪০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রবাসীরা দেশে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারের রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে কোনো একক মাসে এত রেমিট্যান্স কখনও আসেনি। আগস্টে আসে ১৯৬ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২১০ কোটি ডলার, নভেম্বরে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে। সর্বশেষ ডিসেম্বরে এসেছে ২০৫ কোটি ৬ লাখ ডলার, দেশিয় মুদ্রায় যা প্রায় ১৭ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর