০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বঙ্গবন্ধুর মুক্তির মাধ্যমে স্বাধীনতার পূর্ণতা পায় বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা ১৯৭১ সালে বিজয় দিবস পেয়েছি। কিন্তু তখন স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির মাধ্যমে স্বাধীনতা পরিপূর্ণ লাভ করে বলে উল্লেখ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘মহান স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় তৃণমূল চিত্র এবং জাতীয় ইতিহাস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানিরা বুঝেছিল বাঙালির কাছে অস্ত্র থাকা নিরাপদ নয়। তাই তারা বাঙালিদের নিরস্ত্র করতে গাজীপুর থেকে অস্ত্র নিয়ে আসে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তখন মানুষ লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলে পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে। ১৯ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস গৌরবের, এ গৌরব পুরো বাঙালি জাতির। ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম (বিজেআরএফ) এ সভার আয়োজন করে। প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষিকা অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- বিজেআরএফের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ভূইয়া। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদের যগ্ম আহবায়ক ও বিজেআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক এম এ বারী। সার্বিক সহায়তায় ছিলেন গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এম এ সালাম শান্ত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

বঙ্গবন্ধুর মুক্তির মাধ্যমে স্বাধীনতার পূর্ণতা পায় বাংলাদেশ: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা ১৯৭১ সালে বিজয় দিবস পেয়েছি। কিন্তু তখন স্বাধীনতা পরিপূর্ণতা লাভ করেনি। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির মাধ্যমে স্বাধীনতা পরিপূর্ণ লাভ করে বলে উল্লেখ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘মহান স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় তৃণমূল চিত্র এবং জাতীয় ইতিহাস’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানিরা বুঝেছিল বাঙালির কাছে অস্ত্র থাকা নিরাপদ নয়। তাই তারা বাঙালিদের নিরস্ত্র করতে গাজীপুর থেকে অস্ত্র নিয়ে আসে পাকিস্তানি সৈন্যরা। তখন মানুষ লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলে পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে। ১৯ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস গৌরবের, এ গৌরব পুরো বাঙালি জাতির। ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ সাংবাদিক অধিকার ফোরাম (বিজেআরএফ) এ সভার আয়োজন করে। প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষিকা অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, এমপি, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- বিজেআরএফের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ভূইয়া। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদের যগ্ম আহবায়ক ও বিজেআরএফ-এর সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান। অনুষ্ঠানে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক এম এ বারী। সার্বিক সহায়তায় ছিলেন গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এম এ সালাম শান্ত।