১১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাককানইবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ আসকারী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাদেকুল আরেফিন। এছাড়াও প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জাককানইবির ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন।

সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রনির সঞ্চালনায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ আসকারী বলেন, আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন । এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ নয় মাস পাকিস্থানের কারাগারে বন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন । মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু লন্ডনে একটি প্রেস কনফারেন্সে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তাকে ‘নিপীড়িত মানুষের নেতা’ বলে সম্বোধন করা হয়েছিল । বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন কেবল স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল না । তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের । তিনি চেয়েছিলেন মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক একটি বাংলাদেশ।

অধ্যাপক ড.আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক বলেন,প্রত্যাশা ছিল একটি স্বাধীন দেশ পাব আর প্রাপ্তিটাও স্বাধীন দেশ পেয়েছি। আর এ প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে কোন ফাঁক নেই। আমরা সবই পেয়েছি। একটি দেশের জিডিপি কত বা দেশের উন্নয়ন কত এটা এত বেশি মেটার করে না কারন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যেতে হয় যে কারনে কখনও দেশে উন্নয়ন হবে আবার কখনও একটু বাধাতে উন্নয়নে বাধাঁ পাবে। বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছে ছিল স্বাধীন একটি দেশ গড়া।তিনি পেরেছেন,কিন্তু তিনি বেচে নেই।

তিনি আরও বলেন,পাকিস্তানিরা অনেক চেষ্টা করেছে যুদ্ধ বিরতি করতে আর সেটা তে জাতিসংঘ সাহায্য করেছিলো।আর সেটা তে তারা সফল হলে আজ আমরা পরাধীন হয়ে থাকতাম।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর গড়ার পর ১৯৭৪ সালে ২৫ শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ফ্লোরে দাড়িয়ে বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষন দিয়েছেন।আমরা যে কত দূর এগিয়ে গিয়েছি তা শুধু একজন মানুষের স্বপ্নের জন্য। বঙ্গবন্ধু আমাদের সাথে নেই এটা চিরন্তন সত্য কথা,কিন্তু তার আদর্শ আছে, আমরা তার আদর্শ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুজিবর্ষের সময়কাল ১৬ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে যাতে করে আমরা খুব শীঘ্রই করোনা মুক্ত হয়ে আমাদের পরিকল্পনা মোতাবেক জাতির পিতার শতবর্ষ উদযাপন করতে পারি।

তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, একটি লাল সবুজের পতাকা,একটি স্বাধীন মাতৃভূমি।বঙ্গবন্ধুর একটি বিশাল স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন একটি দুর্নীতি মুক্ত,ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত,একটি শোষণমুক্ত সাম্যের বাংলাদেশ নির্মাণ করা। সোনার বাংলা নির্মাণ করা। সেই নির্মাণ কাজ চলমান।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বেশিদিন সময় পাননি সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করার।আমরা ২৫ বছরের ও কম সময় পেয়েছি। ৭৩বছর আগে যে পাকিস্তান আমাদের ২৪টি বছর শোষন করেছিলো ‘৪৭ থেকে ‘৭৩পর্যন্ত সেই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে তুলনা ও বাংলাদেশের অর্জন তুরে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিডিপি, মাথাপিছু আয়, শিশুমৃত্যুর হার, প্রাথমিক শিক্ষার হার, গড় আয়ু সহ বিভিন্ন দিকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা

প্রকাশিত : ০৩:১৩:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২১

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আজকের প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাককানইবির উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ আসকারী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাদেকুল আরেফিন। এছাড়াও প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন জাককানইবির ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন।

সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রনির সঞ্চালনায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টায় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ আসকারী বলেন, আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন । এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দীর্ঘ নয় মাস পাকিস্থানের কারাগারে বন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন । মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু লন্ডনে একটি প্রেস কনফারেন্সে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তাকে ‘নিপীড়িত মানুষের নেতা’ বলে সম্বোধন করা হয়েছিল । বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন কেবল স্বাধীনতা অর্জনের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল না । তিনি স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের । তিনি চেয়েছিলেন মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক একটি বাংলাদেশ।

অধ্যাপক ড.আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক বলেন,প্রত্যাশা ছিল একটি স্বাধীন দেশ পাব আর প্রাপ্তিটাও স্বাধীন দেশ পেয়েছি। আর এ প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে কোন ফাঁক নেই। আমরা সবই পেয়েছি। একটি দেশের জিডিপি কত বা দেশের উন্নয়ন কত এটা এত বেশি মেটার করে না কারন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে যেতে হয় যে কারনে কখনও দেশে উন্নয়ন হবে আবার কখনও একটু বাধাতে উন্নয়নে বাধাঁ পাবে। বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছে ছিল স্বাধীন একটি দেশ গড়া।তিনি পেরেছেন,কিন্তু তিনি বেচে নেই।

তিনি আরও বলেন,পাকিস্তানিরা অনেক চেষ্টা করেছে যুদ্ধ বিরতি করতে আর সেটা তে জাতিসংঘ সাহায্য করেছিলো।আর সেটা তে তারা সফল হলে আজ আমরা পরাধীন হয়ে থাকতাম।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর গড়ার পর ১৯৭৪ সালে ২৫ শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ফ্লোরে দাড়িয়ে বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষন দিয়েছেন।আমরা যে কত দূর এগিয়ে গিয়েছি তা শুধু একজন মানুষের স্বপ্নের জন্য। বঙ্গবন্ধু আমাদের সাথে নেই এটা চিরন্তন সত্য কথা,কিন্তু তার আদর্শ আছে, আমরা তার আদর্শ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রফেসর এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুজিবর্ষের সময়কাল ১৬ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে যাতে করে আমরা খুব শীঘ্রই করোনা মুক্ত হয়ে আমাদের পরিকল্পনা মোতাবেক জাতির পিতার শতবর্ষ উদযাপন করতে পারি।

তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, একটি লাল সবুজের পতাকা,একটি স্বাধীন মাতৃভূমি।বঙ্গবন্ধুর একটি বিশাল স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন একটি দুর্নীতি মুক্ত,ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত,একটি শোষণমুক্ত সাম্যের বাংলাদেশ নির্মাণ করা। সোনার বাংলা নির্মাণ করা। সেই নির্মাণ কাজ চলমান।

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বেশিদিন সময় পাননি সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করার।আমরা ২৫ বছরের ও কম সময় পেয়েছি। ৭৩বছর আগে যে পাকিস্তান আমাদের ২৪টি বছর শোষন করেছিলো ‘৪৭ থেকে ‘৭৩পর্যন্ত সেই পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে তুলনা ও বাংলাদেশের অর্জন তুরে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিডিপি, মাথাপিছু আয়, শিশুমৃত্যুর হার, প্রাথমিক শিক্ষার হার, গড় আয়ু সহ বিভিন্ন দিকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর