জামালপুরের বকশীগঞ্জে বিএডিসির চোরাই ৪০০ বস্তা টিএসপি ও পটাশ সার উদ্ধারের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে গ্রেফতারকৃত জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু,ট্রাক চালক বাবুল মিয়া ও হেলপার নুর মোহাম্মদকে আদালতে সোপর্দ করেছে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।
জানা যায়,জামালপুর জেলার মেলান্দহ বিএডিসির গুদাম থেকে প্রতিবেশি রৌমারি উপজেলার রতন ট্রের্ডাসের মালিক সুরুজ্জামান সরকার নির্ধারিত মূল্যে ৪০০ বস্তা টিএসপি ও পটাশ সার ক্রয় করেন। সার গুলো গত ১৩ জানুয়ারি মেলান্দহ থেকে একটি ভাড়া করা ট্রাক (ঢাকা-মেট্রো-২২-৭৮৬৫) যোগে রৌমারি উপজেলায় পাঠানো হয়। কিন্তু ট্রাক ড্রাইভার বাবুল মিয়া রৌমারি না গিয়ে সার গুলো বকশীগঞ্জ উপজেলার নতুন টুপকারচর গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেনের ছেলে সার ব্যবসায়ী দুলাল মিয়া ও তার ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে বিক্রি করে দেন। শহিদুল হক দুলাল ও জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু ৫ লাখ টাকা মূল্যের সার মাত্র ৪০ হাজার টাকায় কিনে নিয়ে গুদামজাত করেন।
সার মালিক ঘটনার খবর পেয়ে বিষয়টি বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে অবগত করেন। বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকালে নতুন টুপকারচর গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে পুলিশ দুলাল মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম মঞ্জুর গুদাম ঘর থেকে সার গুলো উদ্ধার করেন। একই সময় সার বহনকরাী ট্রাকটিও উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য শহিদুল হক দুলাল,জাহিদুল ইসলাম মঞ্জু,ট্রাক চালক আবুল হোসেন ও হেলপার নুর মোহাম্মদ সহ নামীয় ৬ জন ও দুই জন অজ্ঞাতনামাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে রাতেই বকশীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করেছে।
এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শফিকুল ইসলাম স¤্রাট জানান, চোরাই সার বিক্রি ও চোরাই সার মজুদ রাখার দায়ে ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ ও অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















