০৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ফেসবুকে প্রতারণার দায়ে যুবককে খুন

কন্নন কুমার পোঙ্গল (৩২)। চেন্নাইয়ের ইন্নোর পুলিশের কনস্টেবল তিনি। ফেসবুকে এক ভুয়া মেয়ের প্রোফাইল দেখে আকৃষ্ট হন কনস্টেবল তিনি। প্রথমে ধীরে ধীরে পরিচয় তারপর চ্যাট থেকে প্রেম। প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে একাকার অবস্থা ওই কনস্টেবলের।

মাঝে মাঝে টাকাও পাঠায় তিনি। তারপর একদিন প্রস্তাবই দিয়ে ফেললো, চলো দেখা করি। কিন্তু দেখা করার কথা বললেই এড়িয়ে যায় ফেসবুকে পরিচয় হওয়া নারী। সন্দেহ হয় পুলিশ কনস্টেবলের। পরে জানতে পারলো যার সাথে এতোদিন মেয়েভেবে প্রেম করেছে সে আসলে একজন ২২ বছরের যুবক। আর এখবর জেনে সেই যুবককে খুন করে বসে কনস্টেবল। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের ইন্নোতে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে এক ভুয়া মেয়ের প্রোফাইল দেখে আকৃষ্ট হন কনস্টেবল কন্নন কুমার। এরপর দেখা করার জন্য ১০ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি যান। প্রোফাইল নারী আয়নার (ভুয়া নাম) সাথে দেখা করতে চাইলে দেখা করতে চায় না। এতেই সন্দেহ জাগে কনস্টেবল কন্নন কুমারের। পরে জানতে পারেন, এতদিন যাকে মেয়ে ভেবে তিনি প্রেমালাপ করছিলেন সে আদপে এক যুবক। এরপরই কন্নন কুমার তার তিন সঙ্গীর সাথে জোট বেঁধে ওই যুবককে ডেকে খুন করেন।

এ ঘটনার পর কন্ননসহ তার তিন সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিজের অপরাধ স্বীকার করে কন্নন জানান, মন ভেঙে যাওয়ায় এমন কাজ করেছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

ফেসবুকে প্রতারণার দায়ে যুবককে খুন

প্রকাশিত : ০৮:৫২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

কন্নন কুমার পোঙ্গল (৩২)। চেন্নাইয়ের ইন্নোর পুলিশের কনস্টেবল তিনি। ফেসবুকে এক ভুয়া মেয়ের প্রোফাইল দেখে আকৃষ্ট হন কনস্টেবল তিনি। প্রথমে ধীরে ধীরে পরিচয় তারপর চ্যাট থেকে প্রেম। প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে একাকার অবস্থা ওই কনস্টেবলের।

মাঝে মাঝে টাকাও পাঠায় তিনি। তারপর একদিন প্রস্তাবই দিয়ে ফেললো, চলো দেখা করি। কিন্তু দেখা করার কথা বললেই এড়িয়ে যায় ফেসবুকে পরিচয় হওয়া নারী। সন্দেহ হয় পুলিশ কনস্টেবলের। পরে জানতে পারলো যার সাথে এতোদিন মেয়েভেবে প্রেম করেছে সে আসলে একজন ২২ বছরের যুবক। আর এখবর জেনে সেই যুবককে খুন করে বসে কনস্টেবল। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের ইন্নোতে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে এক ভুয়া মেয়ের প্রোফাইল দেখে আকৃষ্ট হন কনস্টেবল কন্নন কুমার। এরপর দেখা করার জন্য ১০ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি যান। প্রোফাইল নারী আয়নার (ভুয়া নাম) সাথে দেখা করতে চাইলে দেখা করতে চায় না। এতেই সন্দেহ জাগে কনস্টেবল কন্নন কুমারের। পরে জানতে পারেন, এতদিন যাকে মেয়ে ভেবে তিনি প্রেমালাপ করছিলেন সে আদপে এক যুবক। এরপরই কন্নন কুমার তার তিন সঙ্গীর সাথে জোট বেঁধে ওই যুবককে ডেকে খুন করেন।

এ ঘটনার পর কন্ননসহ তার তিন সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিজের অপরাধ স্বীকার করে কন্নন জানান, মন ভেঙে যাওয়ায় এমন কাজ করেছেন তিনি।