০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মানবপাচারকারী সেলিনার হাত থেকে প্রবাসী ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের ছালেনগর এলাকার মোশারফ হোসেনের স্ত্রী মানবপাচারকারী সেলিনার প্রলোভনে শিকার আরমানকে সৌদি আরব পাঠানো পর থেকে কোন হদিস পাচ্ছেনা ভূক্তভোগী পারুলের পরিবার।

তবে মানবপাচারকারী সেলিনার কাছ থেকে ছেলে আরমানকে ফিরে পেতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় আলাদতে মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী পরিবার। ভূক্তভোগী পারুল বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার বসবাস করে থাকেন।

ভূক্তভোগী পারুল জানান, মানবপাচারকারী সেলিনা প্রলোভন দেখিয়ে আমার ছেলে আরমানকে সৌদি আরব পাঠানোর কথা বলে। আমাদের বলে আরমানকে সৌদি আরব হোটেলে চাকরি দিবে এবং সেখানে গিয়ে মোটা অঙ্কের বেতনে চাকরি পাবে। এজন্য অনেক কষ্ট করে লিখিত ভাবে স্ট্যাম্পে এবং চেক এর মাধ্যমে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা তুলে দেন মানবপাচারকারী সেলিনার হাতে। ঘটনাটি প্রায় ১ বছর আগে। সৌদি আরব যাওয়ার পর সেলিনার কথার সাথে কোন মিল পায়নি আরমান। তিনি দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হচ্ছে বলে বাড়িতে ফোন করে জানান। এভাবে কয়েকমাস পর থেকে আর কোন যোগাযোগ না পাওয়ায় সেলিনার কাছে ছেলের বিষয়ে জানতে গেলে আরমানের মাতা পারুলকে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখান সেলিনা ও তার ছেলেসহ ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা।

ভূক্তভোগী পারুল জানান, আমার ছেলের খোঁজ না পাওয়ায় সেলিনাসহ বহু লোকের কাছে গিয়েছি তারা কোন সমাধানের আশ্বাস দেয়না। পরে আর কোন উপায় না পেয়ে আদালতে আমি সেলিনার বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা করি এবং ১ বছর ধরে আমার ছেলের কোন সন্ধান পাচ্ছিনা। আমার ছেলে আরমানের ছোট একটি বাচ্চা আছে তার কি হবে জানি না। আমরা খুব কষ্টের মধ্যে জীবন-যাপন করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

মানবপাচারকারী সেলিনার হাত থেকে প্রবাসী ছেলেকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি

প্রকাশিত : ০৪:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১

নারায়ণগঞ্জ বন্দরের ছালেনগর এলাকার মোশারফ হোসেনের স্ত্রী মানবপাচারকারী সেলিনার প্রলোভনে শিকার আরমানকে সৌদি আরব পাঠানো পর থেকে কোন হদিস পাচ্ছেনা ভূক্তভোগী পারুলের পরিবার।

তবে মানবপাচারকারী সেলিনার কাছ থেকে ছেলে আরমানকে ফিরে পেতে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন প্রতিকার না পাওয়ায় আলাদতে মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী পরিবার। ভূক্তভোগী পারুল বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার বসবাস করে থাকেন।

ভূক্তভোগী পারুল জানান, মানবপাচারকারী সেলিনা প্রলোভন দেখিয়ে আমার ছেলে আরমানকে সৌদি আরব পাঠানোর কথা বলে। আমাদের বলে আরমানকে সৌদি আরব হোটেলে চাকরি দিবে এবং সেখানে গিয়ে মোটা অঙ্কের বেতনে চাকরি পাবে। এজন্য অনেক কষ্ট করে লিখিত ভাবে স্ট্যাম্পে এবং চেক এর মাধ্যমে ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা তুলে দেন মানবপাচারকারী সেলিনার হাতে। ঘটনাটি প্রায় ১ বছর আগে। সৌদি আরব যাওয়ার পর সেলিনার কথার সাথে কোন মিল পায়নি আরমান। তিনি দালালের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হচ্ছে বলে বাড়িতে ফোন করে জানান। এভাবে কয়েকমাস পর থেকে আর কোন যোগাযোগ না পাওয়ায় সেলিনার কাছে ছেলের বিষয়ে জানতে গেলে আরমানের মাতা পারুলকে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখান সেলিনা ও তার ছেলেসহ ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা।

ভূক্তভোগী পারুল জানান, আমার ছেলের খোঁজ না পাওয়ায় সেলিনাসহ বহু লোকের কাছে গিয়েছি তারা কোন সমাধানের আশ্বাস দেয়না। পরে আর কোন উপায় না পেয়ে আদালতে আমি সেলিনার বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা করি এবং ১ বছর ধরে আমার ছেলের কোন সন্ধান পাচ্ছিনা। আমার ছেলে আরমানের ছোট একটি বাচ্চা আছে তার কি হবে জানি না। আমরা খুব কষ্টের মধ্যে জীবন-যাপন করছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ