০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

কান্না থামাতে ছোট বোনকে কুপিয়ে হত্যা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বড় বোনের দায়ের কোপে ছোট বোনের মৃত্যু হয়েছে। আড়াই মাস বয়সী ছোট বোনের কান্না থামাতে এ ঘটনা ঘটায় আড়াই বছর বয়সী বড় বোন।

শনিবার (২৩জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের ঝুম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আইনী পদক্ষেপ না নিয়ে দাফনের ব্যবস্থা করায় একদিন পর ঘটনাটি জানাজানি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কম জনবসতিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় নিহতের পরিবার বসবাস করে আসছিল। নিহত শিশুটির আরো চার বোন আছে। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ১২, ৯, ৭ ও আড়াই বছর।

নিহত শিশুটির মা জানান, শনিবার দুপুরে আড়াই মাস ও আড়াই বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি ঘরের মেঝেতে ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় ঘরের পাশে একটি খোলা জায়গায় কয়েকজন শিশু ক্রিকেট খেলছিল। ক্রিকেট বল পড়ে পাহাড়ের ঢালুতে তাঁর পানের বরজের ক্ষতি হচ্ছিল দেখে শিশুদের খেলতে বাধা দিতে যান তিনি। সেখান থেকে ঘরে ফিরে দেখেন, ঘরের মেঝেতে আড়াই মাসের মেয়েটির রক্ত পড়ে আছে। পাশে দা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আড়াই বছরের মেয়েটি। এ সময় মেয়ে মাকে বলে, ‘বেশি কান্না করতেছে। কুপাইছি। এখন আর কান্না করতেছে না।’

পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক আশরাফুল হক বলেন, শিশুটির মুখে শুধু দায়ের কোপের চিহ্ন। তার মুখমণ্ডলে অন্তত আটটি কোপের চিহ্ন দেখা গেছে। আমি মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছি।

পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান বলেন, ঘটনা জেনেছি। দুটি শিশুই অবুঝ। তাদের মা-বাবারও কোনো অভিযোগ নেই। শুনেছি পরিবার সদস্যরা নিহত শিশুকে দাফন করেছে ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

কান্না থামাতে ছোট বোনকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত : ০৬:০০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বড় বোনের দায়ের কোপে ছোট বোনের মৃত্যু হয়েছে। আড়াই মাস বয়সী ছোট বোনের কান্না থামাতে এ ঘটনা ঘটায় আড়াই বছর বয়সী বড় বোন।

শনিবার (২৩জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের ঝুম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আইনী পদক্ষেপ না নিয়ে দাফনের ব্যবস্থা করায় একদিন পর ঘটনাটি জানাজানি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কম জনবসতিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় নিহতের পরিবার বসবাস করে আসছিল। নিহত শিশুটির আরো চার বোন আছে। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ১২, ৯, ৭ ও আড়াই বছর।

নিহত শিশুটির মা জানান, শনিবার দুপুরে আড়াই মাস ও আড়াই বছরের দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি ঘরের মেঝেতে ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় ঘরের পাশে একটি খোলা জায়গায় কয়েকজন শিশু ক্রিকেট খেলছিল। ক্রিকেট বল পড়ে পাহাড়ের ঢালুতে তাঁর পানের বরজের ক্ষতি হচ্ছিল দেখে শিশুদের খেলতে বাধা দিতে যান তিনি। সেখান থেকে ঘরে ফিরে দেখেন, ঘরের মেঝেতে আড়াই মাসের মেয়েটির রক্ত পড়ে আছে। পাশে দা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আড়াই বছরের মেয়েটি। এ সময় মেয়ে মাকে বলে, ‘বেশি কান্না করতেছে। কুপাইছি। এখন আর কান্না করতেছে না।’

পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক আশরাফুল হক বলেন, শিশুটির মুখে শুধু দায়ের কোপের চিহ্ন। তার মুখমণ্ডলে অন্তত আটটি কোপের চিহ্ন দেখা গেছে। আমি মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছি।

পেকুয়া থানার ওসি সাইফুর রহমান বলেন, ঘটনা জেনেছি। দুটি শিশুই অবুঝ। তাদের মা-বাবারও কোনো অভিযোগ নেই। শুনেছি পরিবার সদস্যরা নিহত শিশুকে দাফন করেছে ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ