ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের ছেলে সামিউজ্জামান সাকিব কানাডায় খুন হয়েছেন বলে তার পরিবার অভিযোগ করেছে। নিখোঁজ থাকার ১৭ দিন পর তার লাশ পেয়েছে কানাডিয়ান পুলিশ। জানা গেছে, ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছিল সাকিব। সে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য বাংলাদেশ থেকে কানাডার মালিতোবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। সাকিব ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ৪র্থ বর্ষে লেখাপড়া করতেন। তিনি গত ৯ তারিখ থেকে নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি তার বন্ধুরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। পরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর কানাডিয়ান পুলিশের তৎপরতায় ২৭ জানুয়ারী সাকিবের মরদেহ কলেজের পাশের একটি লেকের পাশ থেকে উদ্ধার করে। বিষয়টি গত বুধবার রাতে ক্যানাডিয়ান পুলিশ মোবাইলে সাকিবের বাবাকে নিশ্চিত করেছেন বলে নিহতের পারিবারিকসূত্রে জানাগেছে। এদিকে মেধাবী সাকিবের এমন খবরে পরিবারের সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। সাকিব ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের উল্যা গ্রামের আছাদুজ্জান আছাদের ছোট ছেলে। সাকিবের বাবা আছাদুজ্জামান মোল্যা জানান, কালীগঞ্জের নলডাঙ্গা ভূষন হাইস্কুল থেকে জেএসসি পাশের পর ঢাকার রেসিডিয়ান্সিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজে ভর্তি করেন সাকিবকে। এরপর ওই প্রতিষ্ঠান থেকেই ২০১৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগ হতে এস,এস,সি তে এবং ২০১৬ সালে এইচ,এস,সি তে জিপিএ ৫ লাভ করে কানাডার মালিতোবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভতি হন সাকিব। গত ৯ তারিখ থেকে পরিবারের কারও সাথে যোগাযোগ ছিল না সাকিবের। নিখোঁজের ১৭ দিন পর ক্যানাডিয়ান পুলিশ বুধবার ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের নির্জন এক লেকের পাশ থেকে সাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।




















