০৩:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তি ভাবাচ্ছে না মুমিনুলকে

বলের রং বদলাচ্ছে। সঙ্গে বদলাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও। সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের দাপট ছিল প্রত্যাশিত। গত মাসে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নয়জন নতুন ক্রিকেটার খেলিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্টের গল্পটা উল্টো। খুব বেশি হলে দুজনের অভিষেক হতে পারে টেস্ট সিরিজে। দলের মূল ক্রিকেটারদের কয়েকজন না এলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দলে আছে অভিজ্ঞতা, যা আজ থেকে শুরু হওয়া লাল বলের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জটা বাড়িয়ে দিতে বাধ্য। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক অবশ্য এসব নিয়ে খুব ভাবছেন না।

নিজেদের প্রস্তুতিতেই যা মনোযোগ তাঁদের। শুরু হতে যাওয়া চট্টগ্রাম টেস্টের আগে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল বলেন, ‘ওদের টেস্ট আক্রমণ অনেক ভালো, অনেক অভিজ্ঞ। তবে আশা করছি এবারও ভালোই হবে।’ টেস্টে জিততে দরকার ২০ উইকেট নেওয়ার মতো বোলিং আক্রমণ। বাংলাদেশের মাটিতে সফল হওয়ার মতো সে রকম বোলিং আক্রমণ আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অফ স্পিনার রাকিম কর্নওয়াল বিসিবি একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। দলের আরেক স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান বাংলাদেশে সর্বশেষ সফরে এসে উইকেট পেয়েছেন। বাংলাদেশে সফল হতে এই দুই স্পিনারের ভালো করা জরুরি। ক্যারিবীয় পেস বোলাররাও মরা ও নিচু বাউন্সের বাংলাদেশি উইকেটে আগুনঝরা বোলিং করতে সক্ষম। ২০১৮ সালের চট্টগ্রাম টেস্টে ফাস্ট বোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বিধ্বংসী স্পেল বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের সহজে ভুলে যাওয়ার কথা নয়। অভিজ্ঞ কেমার রোচ বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ভালো করেই চেনেন। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রেও গল্পটা প্রায় একই।ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী করতে পারে, মুমিনুলদেরও ভালো করেই জানা আছে। যেমন মনে করিয়ে দিলেন, ‘শেষবার তাদের এই বোলিং আক্রমণই এসেছিল। আমরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি ভালো হবে।’ ২০১৮ সালের বাংলাদেশ সফরে অবশ্য কর্নওয়ালকে খেলতে হয়নি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। মাত্র তিন টেস্ট খেলা কর্নওয়াল এর মধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটে একবার পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাত উইকেট নিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘদেহী এই অফ স্পিনারকে সামলানো বাঁহাতিনির্ভর বাংলাদেশি টপ অর্ডারের সহজ হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশও বসে নেই। কর্নওয়ালকে ঘিরে পরিকল্পনা করে অনুশীলন করছেন মুমিনুলরা। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছি তাঁকে কীভাবে সামলানো যায়।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফরিদপু-৩ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই” বিজয়ী নায়াব ইউসুফ যা বললে জনগণের মাঝে

ওয়েস্ট ইন্ডিজের শক্তি ভাবাচ্ছে না মুমিনুলকে

প্রকাশিত : ১২:০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বলের রং বদলাচ্ছে। সঙ্গে বদলাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলও। সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশের দাপট ছিল প্রত্যাশিত। গত মাসে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নয়জন নতুন ক্রিকেটার খেলিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্টের গল্পটা উল্টো। খুব বেশি হলে দুজনের অভিষেক হতে পারে টেস্ট সিরিজে। দলের মূল ক্রিকেটারদের কয়েকজন না এলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট দলে আছে অভিজ্ঞতা, যা আজ থেকে শুরু হওয়া লাল বলের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জটা বাড়িয়ে দিতে বাধ্য। টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক অবশ্য এসব নিয়ে খুব ভাবছেন না।

নিজেদের প্রস্তুতিতেই যা মনোযোগ তাঁদের। শুরু হতে যাওয়া চট্টগ্রাম টেস্টের আগে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে মুমিনুল বলেন, ‘ওদের টেস্ট আক্রমণ অনেক ভালো, অনেক অভিজ্ঞ। তবে আশা করছি এবারও ভালোই হবে।’ টেস্টে জিততে দরকার ২০ উইকেট নেওয়ার মতো বোলিং আক্রমণ। বাংলাদেশের মাটিতে সফল হওয়ার মতো সে রকম বোলিং আক্রমণ আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অফ স্পিনার রাকিম কর্নওয়াল বিসিবি একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। দলের আরেক স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান বাংলাদেশে সর্বশেষ সফরে এসে উইকেট পেয়েছেন। বাংলাদেশে সফল হতে এই দুই স্পিনারের ভালো করা জরুরি। ক্যারিবীয় পেস বোলাররাও মরা ও নিচু বাউন্সের বাংলাদেশি উইকেটে আগুনঝরা বোলিং করতে সক্ষম। ২০১৮ সালের চট্টগ্রাম টেস্টে ফাস্ট বোলার শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বিধ্বংসী স্পেল বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের সহজে ভুলে যাওয়ার কথা নয়। অভিজ্ঞ কেমার রোচ বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ভালো করেই চেনেন। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রেও গল্পটা প্রায় একই।ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী করতে পারে, মুমিনুলদেরও ভালো করেই জানা আছে। যেমন মনে করিয়ে দিলেন, ‘শেষবার তাদের এই বোলিং আক্রমণই এসেছিল। আমরা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি ভালো হবে।’ ২০১৮ সালের বাংলাদেশ সফরে অবশ্য কর্নওয়ালকে খেলতে হয়নি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। মাত্র তিন টেস্ট খেলা কর্নওয়াল এর মধ্যেই টেস্ট ক্রিকেটে একবার পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাত উইকেট নিয়েছেন তিনি।

দীর্ঘদেহী এই অফ স্পিনারকে সামলানো বাঁহাতিনির্ভর বাংলাদেশি টপ অর্ডারের সহজ হওয়ার কথা নয়। বাংলাদেশও বসে নেই। কর্নওয়ালকে ঘিরে পরিকল্পনা করে অনুশীলন করছেন মুমিনুলরা। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছি তাঁকে কীভাবে সামলানো যায়।’