০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

হোটেলে জায়গা নেই, পর্যটকদের রাতযাপন বাস ও সৈকতে

হোটেল মোটেল খালি নেই জেনেও কক্সবাজার সমুদ্র দর্শনে ছুটছেন পর্যটকরা। খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করে দুর্ভোগের শিকার হয়ে ফিরছেন অনেকেই।

টানা তিন দিনের ছুটির শেষ দিনে পর্যটকের কমতি নেই সৈকতে। প্রতিটি পয়েন্টেই পর্যটকের পদচারণায় মুখর। সবাই ব্যস্ত পানিতে বা বালিয়াড়িতে।

ভোগান্তির কথা জেনেও হাজার হাজার পর্যটক এখন কক্সবাজারে। শত হয়রানিও সাগরের বিশালতার কাছে হার মানছে। প্রায় ৩ শতাধিক পর্যটকবাহী বাস এরইমধ্যে কক্সবাজার ছেড়েছে বলে জানা গেছে।

তিনদিনের টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামায় হোটেল মোটেলগুলোতে ঠাঁই মিলছে না। অনেকেই হোটেলে কক্ষ ভাড়া না পেয়ে সমুদ্রসৈকত ও সড়কে পায়চারী করেছেন। পর্যটকদের অভিযোগ, হোটেল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, যানবাহনসহ সবখানে বাড়তি ভাড়া ও অসদচারণের শিকার হওয়ার পাশাপাশি চরম হয়রানিতে পড়ছেন তারা।

এসবের জন্য করোনা ও দালালচক্রকে দুষছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে পর্যটকদের হয়রানি নিরসন করা হবে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সাপ্তাহিক ও একুশে ফেব্রুয়ারির টানা তিন দিনের ছুটিতে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে হোটেলে রুম ভাড়া না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অবস্থান করছেন বালিয়াড়িতে। আবার অনেক পর্যটক অবস্থান করছেন সাগরতীরে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হোটেলে জায়গা নেই, পর্যটকদের রাতযাপন বাস ও সৈকতে

প্রকাশিত : ০৪:৩০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১

হোটেল মোটেল খালি নেই জেনেও কক্সবাজার সমুদ্র দর্শনে ছুটছেন পর্যটকরা। খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করে দুর্ভোগের শিকার হয়ে ফিরছেন অনেকেই।

টানা তিন দিনের ছুটির শেষ দিনে পর্যটকের কমতি নেই সৈকতে। প্রতিটি পয়েন্টেই পর্যটকের পদচারণায় মুখর। সবাই ব্যস্ত পানিতে বা বালিয়াড়িতে।

ভোগান্তির কথা জেনেও হাজার হাজার পর্যটক এখন কক্সবাজারে। শত হয়রানিও সাগরের বিশালতার কাছে হার মানছে। প্রায় ৩ শতাধিক পর্যটকবাহী বাস এরইমধ্যে কক্সবাজার ছেড়েছে বলে জানা গেছে।

তিনদিনের টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নামায় হোটেল মোটেলগুলোতে ঠাঁই মিলছে না। অনেকেই হোটেলে কক্ষ ভাড়া না পেয়ে সমুদ্রসৈকত ও সড়কে পায়চারী করেছেন। পর্যটকদের অভিযোগ, হোটেল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, যানবাহনসহ সবখানে বাড়তি ভাড়া ও অসদচারণের শিকার হওয়ার পাশাপাশি চরম হয়রানিতে পড়ছেন তারা।

এসবের জন্য করোনা ও দালালচক্রকে দুষছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তবে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে পর্যটকদের হয়রানি নিরসন করা হবে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সাপ্তাহিক ও একুশে ফেব্রুয়ারির টানা তিন দিনের ছুটিতে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে হোটেলে রুম ভাড়া না পেয়ে ব্যাগ ও লাগেজ নিয়ে অবস্থান করছেন বালিয়াড়িতে। আবার অনেক পর্যটক অবস্থান করছেন সাগরতীরে।