০৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

শনিবার পর্যন্ত স্থগিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে পরীক্ষার স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। আজ সকাল ১১ টায় জয় বাংলা ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয় এ আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার সকালে মানববন্ধন শেষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নেয়। আন্দোলনকারীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘কিছু সংখ্যক শিক্ষক তাদের নিজস্ব স্বার্থের জন্য পরীক্ষার বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।’ আরো বলা হয়, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অযৌক্তিক। আমরা প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টা সময় দিলাম, এর মধ্যে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না আসলে বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।’

‘আমরা হল খুলতে বলছি না। পরীক্ষা দেয়ার জন্য যেকোনো শর্ত মানতে রাজি আমরা। করোনার দোহাই দিয়ে যদি শিক্ষক সমিতি, কর্মচারী পরিষদের নির্বাচন আটকে না থাকে তাহলে পরীক্ষা আটকে থাকবে কোন যুক্তিতে!’ বলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা আরো বলেন, ‘শিক্ষকদের নির্বাচন হয়, পিকনিকও হয়। হয়না শুধু পরীক্ষা। আমাদের সাথে এ প্রহসন মেনে নেয়া যায় না।’

পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান করার জন্য প্রক্টর আগামী শনিবার পর্যন্ত সময় নেন। প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে ফিরে গিয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে না চট্টগ্রাম বন্দর

শনিবার পর্যন্ত স্থগিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন

প্রকাশিত : ০৯:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে পরীক্ষার স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। আজ সকাল ১১ টায় জয় বাংলা ভাস্কর্যের সামনে থেকে শুরু হয় এ আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার সকালে মানববন্ধন শেষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচে অবস্থান নেয়। আন্দোলনকারীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘কিছু সংখ্যক শিক্ষক তাদের নিজস্ব স্বার্থের জন্য পরীক্ষার বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।’ আরো বলা হয়, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অযৌক্তিক। আমরা প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টা সময় দিলাম, এর মধ্যে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না আসলে বৃহৎ কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবো।’

‘আমরা হল খুলতে বলছি না। পরীক্ষা দেয়ার জন্য যেকোনো শর্ত মানতে রাজি আমরা। করোনার দোহাই দিয়ে যদি শিক্ষক সমিতি, কর্মচারী পরিষদের নির্বাচন আটকে না থাকে তাহলে পরীক্ষা আটকে থাকবে কোন যুক্তিতে!’ বলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা আরো বলেন, ‘শিক্ষকদের নির্বাচন হয়, পিকনিকও হয়। হয়না শুধু পরীক্ষা। আমাদের সাথে এ প্রহসন মেনে নেয়া যায় না।’

পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধান করার জন্য প্রক্টর আগামী শনিবার পর্যন্ত সময় নেন। প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে ফিরে গিয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর