০৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বিনিয়োগে অনাগ্রহী বিদেশিরা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ কোম্পানিগুলোতে আগ্রহ নেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। তালিনাভুক্ত ৩১টি কোম্পানির মধ্যে ১৯টিতেই কোন বিনিয়োগ নেই বিদেশিদের। বাকি ১২টি কোম্পানির মধ্যে তিনটিতে বিদেশিদের বড় বিনিয়োগ আছে। ৯টিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকলেও তা অনেকটাই নামমাত্র।
ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের প্রতি বিদেশিদের আগ্রহ কম থাকার কারণ হিসেবে বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ৩১টি হলেও, সবার ব্যবসায়িক অবস্থা ভালো না। বড় কোম্পানিগুলো ভালো ব্যবসা করতে পারলেও ছোটগুলো কোনো রকমে টিকে রয়েছে। এছাড়া অনেক কোম্পানির স্বচ্ছতার অভাব আছে। এসব কারণেই হয়তো বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না কোম্পানি।
তারা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বুঝে বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগের আগে কোম্পানির অতীত-বর্তমান সব ধরনের তথ্য ভালো করে ¶তিয়ে দেখেন তারা। তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনার মূলে থাকে মুনাফার পরিকল্পনা। তাছাড়া বিদেশিদের বিনিয়োগের ¶েত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও থাকে। সে কারণে যে কোম্পানির গ্রোথ (প্রবৃদ্ধি) ভালো এবং বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দেয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সেদিকেই ছোটেন।
তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগের চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বেঙ্মিকো ফার্মাসিউটিক্যালস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনেটা, একমি ল্যাবরেটরিজ, অ্যাকটিভ ফাইন, বেঙ্মিকো সিনথেটিক, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, মেরিকো, ওরিয়ন ইনফিউশন, ওরিয়ন ফার্মা, রেকিট বেনকিজার এবং সিলভা ফার্মায় বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে। ছয় মাস আগেও সিলকো ফার্মায় বিদেশিদের কিছু বিনিয়োগ থাকলেও এখন তা শূন্য হয়ে পড়েছে।
বিদেশিদের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ রয়েছে বেঙ্মিকো ফার্মায়। এই কোম্পানিতেও বিদেশিদের বিনিয়োগ কমে এসেছে সম্প্রতি। ২০২০ সালের জুনে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩৪ দশমিক ৪৪ শতাংশই ছিল বিদেশিদের কাছে। গত ডিসেম্বরে তা কমে ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশে নেমে আসে। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা আরও কমে ২৬ দশমিক ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্মিকো ফার্মার লভ্যাংশের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে কোম্পানিটি। তার আগে ২০১৯ সালে ১৫ শতাংশ নগদ, ২০১৮ ও ২০১৭ সালে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ এবং ২০১৬ সালে ১৫ শতাংশ নগদ ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ২ হাজার ২৭৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
বিদেশিদের বিনিয়োগের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রেনেটার ২২ দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার আছে বিদেশিদের কাছে। গত জুনে বিদেশিদের কাছে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ ছিল। সেই হিসাবে এই কোম্পানিটিতেও বিদেশিদের বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে।
১৯৭৯ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটি নিয়মিত বিনিয়োগকারীদের মোটা অঙ্কের লভ্যাংশ দেয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারহোল্ডারদের ১৩০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগে ২০১৯ সালে ১০০ শতাংশ নগদ ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৮ সালে ৯৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস, ২০১৭ সালে ১৩০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস এবং ২০১৬ সালে ৮৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ২ হাজার ৮৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো ব্যবসা করা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বিদেশি বিনিয়োগের ¶েত্রে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এ কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগের পরিমাণ কমেছে। গত বছরের জুনে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ ছিল বিদেশিদের কাছে। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা কমে ১৭ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।
ভালো ব্যবসার পাশাপাশি কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত লভ্যাংশও দেয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ৪৭ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। তার আগে ২০১৯ সালে ৪২ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৮ সালে ৩৬ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৭ সালে ৩৫ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ বেনাস শেয়ার এবং ২০১৬ সালে ৪০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ৬ হাজার ৭০২ কোটি ১২ লাখ টাকা।
দেশের বাজারে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করা বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেনকিজার রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশের শেয়ারবাজারের সবচেয়ে দামি শেয়ারের এই কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে। বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে একমি ল্যাবরেটরিজের দশমিক ১৩ শতাংশ, অ্যাকটিভ ফাইনের ৩ দশমিক ১১ শতাংশ, বেঙ্মিকো সিনথেটিকের দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের দশমিক ১০ শতাংশ, মেরিকো বাংলাদেশের ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের দশমিক ৩০ শতাংশ, ওরিয়ন ফার্মার ১ দশমিক ১৩ শতাংশ, সিলভা ফার্মার দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার আছে বিদেশিদের কাছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

“বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যই বাংলাদেশের শক্তি” :উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

বিনিয়োগে অনাগ্রহী বিদেশিরা

প্রকাশিত : ১২:০১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ কোম্পানিগুলোতে আগ্রহ নেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের। তালিনাভুক্ত ৩১টি কোম্পানির মধ্যে ১৯টিতেই কোন বিনিয়োগ নেই বিদেশিদের। বাকি ১২টি কোম্পানির মধ্যে তিনটিতে বিদেশিদের বড় বিনিয়োগ আছে। ৯টিতে বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকলেও তা অনেকটাই নামমাত্র।
ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের প্রতি বিদেশিদের আগ্রহ কম থাকার কারণ হিসেবে বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওষুধ ও রসায়ন খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ৩১টি হলেও, সবার ব্যবসায়িক অবস্থা ভালো না। বড় কোম্পানিগুলো ভালো ব্যবসা করতে পারলেও ছোটগুলো কোনো রকমে টিকে রয়েছে। এছাড়া অনেক কোম্পানির স্বচ্ছতার অভাব আছে। এসব কারণেই হয়তো বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না কোম্পানি।
তারা বলছেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বুঝে বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগের আগে কোম্পানির অতীত-বর্তমান সব ধরনের তথ্য ভালো করে ¶তিয়ে দেখেন তারা। তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনার মূলে থাকে মুনাফার পরিকল্পনা। তাছাড়া বিদেশিদের বিনিয়োগের ¶েত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও থাকে। সে কারণে যে কোম্পানির গ্রোথ (প্রবৃদ্ধি) ভালো এবং বিনিয়োগকারীদের ভালো লভ্যাংশ দেয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সেদিকেই ছোটেন।
তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলোতে বিদেশিদের বিনিয়োগের চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বেঙ্মিকো ফার্মাসিউটিক্যালস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, রেনেটা, একমি ল্যাবরেটরিজ, অ্যাকটিভ ফাইন, বেঙ্মিকো সিনথেটিক, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, মেরিকো, ওরিয়ন ইনফিউশন, ওরিয়ন ফার্মা, রেকিট বেনকিজার এবং সিলভা ফার্মায় বিদেশিদের বিনিয়োগ আছে। ছয় মাস আগেও সিলকো ফার্মায় বিদেশিদের কিছু বিনিয়োগ থাকলেও এখন তা শূন্য হয়ে পড়েছে।
বিদেশিদের সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ রয়েছে বেঙ্মিকো ফার্মায়। এই কোম্পানিতেও বিদেশিদের বিনিয়োগ কমে এসেছে সম্প্রতি। ২০২০ সালের জুনে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩৪ দশমিক ৪৪ শতাংশই ছিল বিদেশিদের কাছে। গত ডিসেম্বরে তা কমে ২৮ দশমিক ৩১ শতাংশে নেমে আসে। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা আরও কমে ২৬ দশমিক ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেঙ্মিকো ফার্মার লভ্যাংশের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিয়েছে কোম্পানিটি। তার আগে ২০১৯ সালে ১৫ শতাংশ নগদ, ২০১৮ ও ২০১৭ সালে সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ এবং ২০১৬ সালে ১৫ শতাংশ নগদ ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ২ হাজার ২৭৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
বিদেশিদের বিনিয়োগের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রেনেটার ২২ দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার আছে বিদেশিদের কাছে। গত জুনে বিদেশিদের কাছে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ২২ দশমিক ৭৬ শতাংশ ছিল। সেই হিসাবে এই কোম্পানিটিতেও বিদেশিদের বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা কমে গেছে।
১৯৭৯ সালে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটি নিয়মিত বিনিয়োগকারীদের মোটা অঙ্কের লভ্যাংশ দেয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারহোল্ডারদের ১৩০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে। তার আগে ২০১৯ সালে ১০০ শতাংশ নগদ ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৮ সালে ৯৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস, ২০১৭ সালে ১৩০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস এবং ২০১৬ সালে ৮৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ২ হাজার ৮৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো ব্যবসা করা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস বিদেশি বিনিয়োগের ¶েত্রে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এ কোম্পানিতে বিদেশিদের বিনিয়োগের পরিমাণ কমেছে। গত বছরের জুনে কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ ছিল বিদেশিদের কাছে। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা কমে ১৭ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।
ভালো ব্যবসার পাশাপাশি কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত লভ্যাংশও দেয়। সর্বশেষ ২০২০ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ৪৭ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। তার আগে ২০১৯ সালে ৪২ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৮ সালে ৩৬ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৭ সালে ৩৫ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ বেনাস শেয়ার এবং ২০১৬ সালে ৪০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি। বর্তমানে কোম্পানিটিতে রিজার্ভ আছে ৬ হাজার ৭০২ কোটি ১২ লাখ টাকা।
দেশের বাজারে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করা বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেনকিজার রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশের শেয়ারবাজারের সবচেয়ে দামি শেয়ারের এই কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে। বিদেশিদের বিনিয়োগ থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে একমি ল্যাবরেটরিজের দশমিক ১৩ শতাংশ, অ্যাকটিভ ফাইনের ৩ দশমিক ১১ শতাংশ, বেঙ্মিকো সিনথেটিকের দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের দশমিক ১০ শতাংশ, মেরিকো বাংলাদেশের ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের দশমিক ৩০ শতাংশ, ওরিয়ন ফার্মার ১ দশমিক ১৩ শতাংশ, সিলভা ফার্মার দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার আছে বিদেশিদের কাছে।