০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধ তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা

ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগকে সমর্থন করবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে কমলার ফোনে কথা হয়েছে। এসময় তিনি নেতানিয়াহুকে তদন্তের বিষয়ে আশ্বাস দেন। জানুয়ারিতে বাইডেন-হ্যারিস দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নেতানিয়াহুর এটাই ছিলো প্রথম ফোন আলাপ। দুই নেতার এ কথোপকথনের একদিন আগেই আইসিসির কৌঁসুলি ফাতৌ বেনসৌদা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে জেরুজালেম ও ওয়াশিংটনের দিক থেকে এর তীব্র বিরোধিতা আসে। গত বুধবার আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর ফাতু বেনসৌদার এক বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি জানান ২০১৪ সালে গাজায় সহিংসতা চলাকালীন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, হামাস ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করার ‘যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি’ রয়েছে। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের তদন্ত শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করছি। তদন্তটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত, ভয় বা পক্ষপাতহীনভাবে পরিচালিত হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গণতান্ত্রিক সরকারের তথ্য কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে: অধ্যাপক নাহরিন

ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধ তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা

প্রকাশিত : ১২:০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এই উদ্যোগকে সমর্থন করবে না বলে জানিয়েছে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে কমলার ফোনে কথা হয়েছে। এসময় তিনি নেতানিয়াহুকে তদন্তের বিষয়ে আশ্বাস দেন। জানুয়ারিতে বাইডেন-হ্যারিস দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নেতানিয়াহুর এটাই ছিলো প্রথম ফোন আলাপ। দুই নেতার এ কথোপকথনের একদিন আগেই আইসিসির কৌঁসুলি ফাতৌ বেনসৌদা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে জেরুজালেম ও ওয়াশিংটনের দিক থেকে এর তীব্র বিরোধিতা আসে। গত বুধবার আইসিসির চিফ প্রসিকিউটর ফাতু বেনসৌদার এক বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি জানান ২০১৪ সালে গাজায় সহিংসতা চলাকালীন ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, হামাস ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করার ‘যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি’ রয়েছে। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের তদন্ত শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করছি। তদন্তটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত, ভয় বা পক্ষপাতহীনভাবে পরিচালিত হবে।