১০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প

বাংলাদেশ বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আয়ের পথ বৃদ্ধির জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল সম্প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এই বেতার কেন্দ্রে। ‘বাংলাদেশ বেতার (চট্টগ্রাম কেন্দ্র) আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন’ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৯ কোটি ৮৮ হাজার কোটি। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বেতারের গুরুত্ব এখনও কমেনি। পাহাড় ও বঙ্গোপসাগরে মাঝিদের কাছে বেতার এখনও জনপ্রিয়। কম খরচে এ মাধ্যম থেকে তথ্য পাওয়া যায়। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে যাতে করে বেতার সবার মধ্যে পৌঁছে দেয়া যায় সে জন্য এ প্রকল্পের আওতায় নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটির অধীনে আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির এফএম, প্রেরণযন্ত্র এবং অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রপাতি সংস্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তির যথার্থ প্রয়োগ, সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা করা এবং আকর্ষণীয় ও উচ্চ কারিগরি মানসম্পন্ন বেতার অনুষ্ঠান সম্প্রচার নিশ্চিতকরণ করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম কেন্দ্র নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিল্পী কলা-কুশলী, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন গঠনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণে সহায়তাকরণ এবং মাল্টিপারপস হলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতারের আয়ের পথ সৃষ্টি করা হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান (পরিকল্পনা অধিশাখা) মো. আখতারুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। প্রকল্পটি এখনও পাস হয়নি। বাংলাদেশ বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উন্নয়নে প্রকল্পটি নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় বেতার সরঞ্জাম, অনাবাসিক ভবনসমূহ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামাদি অফিস সরঞ্জাম, আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক স্থাপনা এবং অন্যান্য স্থাপনার কাজ করা হবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রকাশিত : ১২:০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ মার্চ ২০২১

বাংলাদেশ বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আয়ের পথ বৃদ্ধির জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল সম্প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এই বেতার কেন্দ্রে। ‘বাংলাদেশ বেতার (চট্টগ্রাম কেন্দ্র) আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন’ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৪৯ কোটি ৮৮ হাজার কোটি। চলতি সময় থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বেতারের গুরুত্ব এখনও কমেনি। পাহাড় ও বঙ্গোপসাগরে মাঝিদের কাছে বেতার এখনও জনপ্রিয়। কম খরচে এ মাধ্যম থেকে তথ্য পাওয়া যায়। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে যাতে করে বেতার সবার মধ্যে পৌঁছে দেয়া যায় সে জন্য এ প্রকল্পের আওতায় নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটির অধীনে আধুনিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির এফএম, প্রেরণযন্ত্র এবং অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রপাতি সংস্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তির যথার্থ প্রয়োগ, সম্প্রচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হবে। এছাড়া সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সহায়তা করা এবং আকর্ষণীয় ও উচ্চ কারিগরি মানসম্পন্ন বেতার অনুষ্ঠান সম্প্রচার নিশ্চিতকরণ করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম কেন্দ্র নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিল্পী কলা-কুশলী, বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন গঠনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণে সহায়তাকরণ এবং মাল্টিপারপস হলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ বেতারের আয়ের পথ সৃষ্টি করা হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান (পরিকল্পনা অধিশাখা) মো. আখতারুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের কাজ এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। প্রকল্পটি এখনও পাস হয়নি। বাংলাদেশ বেতারের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের উন্নয়নে প্রকল্পটি নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় বেতার সরঞ্জাম, অনাবাসিক ভবনসমূহ নির্মাণ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি সংগ্রহ, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামাদি অফিস সরঞ্জাম, আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক স্থাপনা এবং অন্যান্য স্থাপনার কাজ করা হবে বলে জানান তিনি।