০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পেলের নামে স্টেডিয়াম

এবার বদলে গেল ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামের নাম। দেশটির হয়ে তিনবার ফুটবল বিশ্বকাপ জেতা পেলের নামে স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছে। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা গত বছর মারা যাওয়ার পরই তার নামে নিজেদের স্টেডিয়ামের নামকরণ করে ইতালির ক্লাব নাপোলি।

মঙ্গলবার রিও ডে জেনেইরো অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় ভোটের পর স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। জানা গেছে, ১৯৫০ ও ২০১৪ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করা মারাকানার নতুন নাম এখন থেকে এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো – হেই পেলে স্টেডিয়াম। নিজেদের ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের প্রতি সম্মান জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা পেলের অসংখ্য স্মৃতি আছে। সান্তোসের হয়ে স্থানীয় ক্লাব ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ১ হাজারতম গোলটি এই মারাকানাতেই করেছিলেন তিনি।

এই স্টেডিয়ামেই ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে উরুগুয়ের বিপক্ষে করুণ ট্র্যাজেডির শিকার হয় ব্রাজিল। ইতিহাসে যা ‘মারাকানা ট্র্যাজেডি’ নামে পরিচিত।

এর আগে মারিও ফিলহোর নামে একজন সাংবাদিকের নামে মারাকানা স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছিল। তিনিই ১৯৪০ সালে স্টেডিয়ামটি নির্মাণের পক্ষে তদবির করেছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রংপুরে ভোটের পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার

পেলের নামে স্টেডিয়াম

প্রকাশিত : ০৮:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

এবার বদলে গেল ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামের নাম। দেশটির হয়ে তিনবার ফুটবল বিশ্বকাপ জেতা পেলের নামে স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছে। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার দিয়েগো ম্যারাডোনা গত বছর মারা যাওয়ার পরই তার নামে নিজেদের স্টেডিয়ামের নামকরণ করে ইতালির ক্লাব নাপোলি।

মঙ্গলবার রিও ডে জেনেইরো অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় ভোটের পর স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। জানা গেছে, ১৯৫০ ও ২০১৪ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করা মারাকানার নতুন নাম এখন থেকে এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো – হেই পেলে স্টেডিয়াম। নিজেদের ইতিহাসের সেরা ফুটবলারের প্রতি সম্মান জানাতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা পেলের অসংখ্য স্মৃতি আছে। সান্তোসের হয়ে স্থানীয় ক্লাব ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ১ হাজারতম গোলটি এই মারাকানাতেই করেছিলেন তিনি।

এই স্টেডিয়ামেই ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে উরুগুয়ের বিপক্ষে করুণ ট্র্যাজেডির শিকার হয় ব্রাজিল। ইতিহাসে যা ‘মারাকানা ট্র্যাজেডি’ নামে পরিচিত।

এর আগে মারিও ফিলহোর নামে একজন সাংবাদিকের নামে মারাকানা স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছিল। তিনিই ১৯৪০ সালে স্টেডিয়ামটি নির্মাণের পক্ষে তদবির করেছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর