বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। রায়কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
একই দিনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা রয়েছে। মামলার রায়ের কারণে সৃষ্টি হতে পারে বিশৃঙ্খলা। তাই রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারা দেশে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে ২০ লাখ শিক্ষার্থী চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।
পরীক্ষার্থীরা সময় মতো কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন অভিভাবকরা।
পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সাধারণ আট বোর্ডে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, হিন্দু ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, বৌদ্ধ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং খ্রিস্ট ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মাদরাসা বোর্ডে এদিন বাংলা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কারিগরি বোর্ডের অধীন এদিন কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দলের চেয়ারপারসনকে দোষী সাব্যস্ত করা হলে সারাদেশে একযোগে আন্দোলন শুরু হবে। অচল করে দেয়া হবে রাষ্ট্রের সব কার্যক্রম।
অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সারাদেশ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের রাজধানীতে প্রবেশ ঠেকাতে তৎপরতা শুরু করেছে। ঢাকার প্রবেশপথে প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি চলছে। বুধবার রাজধানীর সড়কগুলোতে যানজটের তেমন কোনো চিত্র লক্ষ্য করা যায়নি। কিছু কিছু সড়ক প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সবার মধ্যে ভীতি কাজ করছে।
অভিভাবকরা বলেন, বৃহস্পতিবারের পরীক্ষা নিয়ে খবু দুশ্চিন্তায় আছি। বড় ধরনের গণ্ডগোল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে পারবো কিনা, তা নিয়ে বেশ উৎকণ্ঠায় আছি।
বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ বলেন, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কি হবে না, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা বাতিলের পরিস্থিতি হয়নি। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবারের পরীক্ষার আগে যদি রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল করে আগের মতো বন্ধের দিন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে।






















