০৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক মাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো !

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন বেড়াতে আসা পর্যটকসহ ৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা চরবগলা খালের ওপর বয়ে যাওয়া বাঁশের সাঁকো।
জানা যায় সাঁকোটি এলাকাবাসীর নিজ উদ্যোগে প্রায় ২৫ বছর আগে তৈরী করা হয়। এতে কিছুটা দূর্ভোগ লাগব হলেও প্রতিবছর নিজেদের অর্থায়নে সংস্কার করতে হয়। বর্তমানে সাঁকোটি নড়বড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে ৬টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা হাজারো পর্যটকরা।
নানা দুর্ভোগের কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা । তারা জানান, বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মানুষ এই বাঁশের সাঁকো দিয়া চলাচল করে আসছেন তারা। রাতের বেলা টর্চ দিয়া পা টিপ টিপ করে চলা লাগে। পড়ে যাবার ভয় থাকে।’ এই সাঁকো দিয়ে চলতে ডসয়ে পড়ে গেছেন অনেকেই । এভাবে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে মানুষ চলাচল করে এই সাঁকো।
মৌডুবী মুখরবান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, সাঁকো পার হয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। এই সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় পানিতেও কয়েকবার পড়ে যাই। সাঁকো পার হতে আমাদের ভয় করে। এখানে একটা ব্রিজ দরকার।
এ বিষয়ে মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে এবং যাতে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাগবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হবে।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, আমি জরুরি কাজে ঢাকাতে আছি। আমি রাঙ্গাবালীতে এসে ঝুঁকিপূর্ণ ঐ সাঁকোটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখবো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পুরো রমজানে মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

এক মাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো !

প্রকাশিত : ১২:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিন বেড়াতে আসা পর্যটকসহ ৫টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা চরবগলা খালের ওপর বয়ে যাওয়া বাঁশের সাঁকো।
জানা যায় সাঁকোটি এলাকাবাসীর নিজ উদ্যোগে প্রায় ২৫ বছর আগে তৈরী করা হয়। এতে কিছুটা দূর্ভোগ লাগব হলেও প্রতিবছর নিজেদের অর্থায়নে সংস্কার করতে হয়। বর্তমানে সাঁকোটি নড়বড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে ৬টি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ জাহাজমারা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসা হাজারো পর্যটকরা।
নানা দুর্ভোগের কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা । তারা জানান, বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মানুষ এই বাঁশের সাঁকো দিয়া চলাচল করে আসছেন তারা। রাতের বেলা টর্চ দিয়া পা টিপ টিপ করে চলা লাগে। পড়ে যাবার ভয় থাকে।’ এই সাঁকো দিয়ে চলতে ডসয়ে পড়ে গেছেন অনেকেই । এভাবে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে মানুষ চলাচল করে এই সাঁকো।
মৌডুবী মুখরবান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, সাঁকো পার হয়ে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। এই সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় পানিতেও কয়েকবার পড়ে যাই। সাঁকো পার হতে আমাদের ভয় করে। এখানে একটা ব্রিজ দরকার।
এ বিষয়ে মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে এবং যাতে দ্রুত জনদুর্ভোগ লাগবে ব্যবস্থা গ্রহন করা হয় এজন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হবে।
এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, আমি জরুরি কাজে ঢাকাতে আছি। আমি রাঙ্গাবালীতে এসে ঝুঁকিপূর্ণ ঐ সাঁকোটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখবো।