০৫:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

মুজিববর্ষে পাকা ঘর পেয়ে কেমন আছেন তারা?

যারা কখনও টিনের ঘরে বসবাসের স্বপ্ন দেখেননি, এখন তারা পাকা দালানে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন। ঘর পেয়ে কেমন আছেন তারা? খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন পরিদর্শন করেন। সুবিধাভোগী অসহায় মানুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা। 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকার বিধবা রোমেছা বেগম। প্রায় ৩০ বছর আগে দুই সন্তান রেখে অজ্ঞাত অসুখে মারা যান স্বামী। সম্বল বলতে ২ শতাংশ জায়গা ছিল তাও বিক্রি করে মেয়ের বিয়ে দিয়ে সরকারি জায়গায় একটি ঝুপড়িঘরে বসবাস করতেন। একটু জোরে বাতাস বা বৃষ্টি নামলেই ঘরে থাকতে পারেননি। প্রতিদিন দু’বেলা ভাতের নিশ্চয়তা যার নেই তার ঘর তৈরি স্বপ্নের মতো। সেই বিধবা রোমেছা বেগম এখন পাকা দালানের মালিক। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর স্বর্গের মতোই।

রোমেছা বেগমের মতো ৫১ বছর বয়সী দৃষ্টিহীন তোরাব আলী, সখিনা ও হামিদা বেগমরা। এত দিন নিদারুণ কষ্টে বসবাস করলেও শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রীর ঘর আশীর্বাদ হয়ে তাদের কপালে জুটেছে। এমন উপহার পেয়ে আবেগ আপ্লুত তারা।

জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি জানালেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন আশ্রয়ণ পরিদর্শনে এসে জানান, মুজিব শতবর্ষে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না এবং তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে চিন্তাভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সারাদেশে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪৪ জনকে ঘর দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে ২ হাজার ২০০টি রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নাটোরে বিএনপির প্রার্থী দুলুর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

মুজিববর্ষে পাকা ঘর পেয়ে কেমন আছেন তারা?

প্রকাশিত : ০৯:৪৯:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

যারা কখনও টিনের ঘরে বসবাসের স্বপ্ন দেখেননি, এখন তারা পাকা দালানে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করছেন। ঘর পেয়ে কেমন আছেন তারা? খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন পরিদর্শন করেন। সুবিধাভোগী অসহায় মানুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি জানান কৃতজ্ঞতা। 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকার বিধবা রোমেছা বেগম। প্রায় ৩০ বছর আগে দুই সন্তান রেখে অজ্ঞাত অসুখে মারা যান স্বামী। সম্বল বলতে ২ শতাংশ জায়গা ছিল তাও বিক্রি করে মেয়ের বিয়ে দিয়ে সরকারি জায়গায় একটি ঝুপড়িঘরে বসবাস করতেন। একটু জোরে বাতাস বা বৃষ্টি নামলেই ঘরে থাকতে পারেননি। প্রতিদিন দু’বেলা ভাতের নিশ্চয়তা যার নেই তার ঘর তৈরি স্বপ্নের মতো। সেই বিধবা রোমেছা বেগম এখন পাকা দালানের মালিক। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর স্বর্গের মতোই।

রোমেছা বেগমের মতো ৫১ বছর বয়সী দৃষ্টিহীন তোরাব আলী, সখিনা ও হামিদা বেগমরা। এত দিন নিদারুণ কষ্টে বসবাস করলেও শেষ বয়সে প্রধানমন্ত্রীর ঘর আশীর্বাদ হয়ে তাদের কপালে জুটেছে। এমন উপহার পেয়ে আবেগ আপ্লুত তারা।

জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গনি জানালেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন আশ্রয়ণ পরিদর্শনে এসে জানান, মুজিব শতবর্ষে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না এবং তাদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে চিন্তাভাবনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সারাদেশে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩৪৪ জনকে ঘর দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে ২ হাজার ২০০টি রয়েছে।