০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুর সদর থানায় কর্মরত এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার!

শেরপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে শাহিনুল ইসলাম (৪০) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি শেরপুর সদর থানায় এএসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে শহরের গৃর্দা নারায়ণপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহিনুল ইসলামের বিপি নম্বর- ৮৫০৫১০৪০০৪। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার টেবিরচর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জানুয়ারি সকালে ডিউটি শেষ করে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় ফেরেন শাহিনুল ইসলাম। বেলা ১১টার দিকে তার স্ত্রী মাকসুদা পারভীন সন্তানকে নিয়ে জামালপুরের নান্দিনায় বাবার বাড়িতে যান। দুপুর ২টার দিকে স্ত্রী ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি। দীর্ঘক্ষণ ফোনে না পেয়ে রাত ১১টার দিকে স্ত্রী ও শ্যালক জামালপুর থেকে শেরপুরের বাসায় ফিরে আসেন। বাসার প্রধান দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তারা পেছনের জানালা দিয়ে উঁকি দেন। এসময় জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় শাহিনুলকে দেখতে পান তারা। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টার মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে এই ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, চরম মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কামনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

শেরপুর সদর থানায় কর্মরত এএসআই-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার!

প্রকাশিত : ০৪:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুর জেলা শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে শাহিনুল ইসলাম (৪০) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি শেরপুর সদর থানায় এএসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

গত বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে শহরের গৃর্দা নারায়ণপুর এলাকার একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শাহিনুল ইসলামের বিপি নম্বর- ৮৫০৫১০৪০০৪। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার টেবিরচর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জানুয়ারি সকালে ডিউটি শেষ করে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাসায় ফেরেন শাহিনুল ইসলাম। বেলা ১১টার দিকে তার স্ত্রী মাকসুদা পারভীন সন্তানকে নিয়ে জামালপুরের নান্দিনায় বাবার বাড়িতে যান। দুপুর ২টার দিকে স্ত্রী ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি। দীর্ঘক্ষণ ফোনে না পেয়ে রাত ১১টার দিকে স্ত্রী ও শ্যালক জামালপুর থেকে শেরপুরের বাসায় ফিরে আসেন। বাসার প্রধান দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তারা পেছনের জানালা দিয়ে উঁকি দেন। এসময় জানালার গ্রিলের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় শাহিনুলকে দেখতে পান তারা। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টার মধ্যবর্তী কোনো এক সময়ে এই ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহিনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের ধারণা, চরম মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কামনা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ডিএস./