০৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেন

লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকে ধস নামলেও শেষ পর্যন্ত ছোট দরপতন দিয়েই বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে দুই বাজারেই কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। মূল্যসূচক ও লেনদেন কমলেও ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, বেড়েছে তার থেকে বেশি। অবশ্য লেনদেনের শুরুতে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে প্রথম আধাঘণ্টার লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৬৩ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে আবারও বড় দরপতনের শঙ্কা পেয়ে বসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। কিন্তু প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। পতন থেকে বেরিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখাতে থাকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান। এতে ধস থেকে বেরিয়ে এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়। অবশ্য লেনদেনের শেষদিকে আবারও কিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে মূল্যসূচকও ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৭০ পয়েন্টে নেমে গেছে। প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি পতন হয়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকের। আগের দিনের তুলনায় এই সূচকটি ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বগুড়ায় নির্বাচন পর্যবেক্ষন করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল

সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেন

প্রকাশিত : ১২:০০:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ এপ্রিল ২০২১

লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকে ধস নামলেও শেষ পর্যন্ত ছোট দরপতন দিয়েই বৃহস্পতিবার দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে দুই বাজারেই কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। মূল্যসূচক ও লেনদেন কমলেও ডিএসইতে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, বেড়েছে তার থেকে বেশি। অবশ্য লেনদেনের শুরুতে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে প্রথম আধাঘণ্টার লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৬৩ পয়েন্ট পড়ে যায়। ফলে আবারও বড় দরপতনের শঙ্কা পেয়ে বসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। কিন্তু প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। পতন থেকে বেরিয়ে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখাতে থাকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান। এতে ধস থেকে বেরিয়ে এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়। অবশ্য লেনদেনের শেষদিকে আবারও কিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। এতে মূল্যসূচকও ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৭০ পয়েন্টে নেমে গেছে। প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি পতন হয়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচকের। আগের দিনের তুলনায় এই সূচকটি ১১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।