টেস্ট মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। খুব স্বাভাবিকভাবেই সালমা খাতুন, রুমানা আহমেদ, জাহানারা আলম, নাহিদা আক্তার, ফারিহা তৃষ্ণা, নিগার সুলতানারা এখন অভিনন্দন আর শুভেচ্ছাবার্তায় সিক্ত হচ্ছেন।
গায়ে লাগবে টেস্ট ক্রিকেটারের তকমা, পরবেন টেস্ট ক্যাপ। ক্রিকেটের কুলীন ভুবনে বাংলাদেশের নারীরা-ভক্ত, সমর্থক ও অনুরাগীদের জন্য বিরাট খুশির খবর। আনন্দের ফলগুধারা বইছে ক্রিকেটাঙ্গনে।
কিন্তু যারা এই মর্যাদা পেলেন, এখন থেকে ওয়ানডে টি-টোয়েন্টির পাশাপাশি যারা টেস্টও খেলবেন, তাদের কেমন লাগছে? সালমা-রুমানাদের অনুভূতি কী? খুব জানতে ইচ্ছে করছে, তাই না?
তাহলে শুনুন, তারাও খুশি। আনন্দে উদ্বেলিত। পুলকিত। তাদের বিশ্বাস, এই টেস্ট মর্যাদা লাভের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পেল দেশের নারী ক্রিকেট। এতে করে বাংলাদেশের নারীরা আরও এগিয়ে যাবে।
দেশের সবচেয়ে সিনিয়র নারী ক্রিকেটার সালমা খাতুন বলেন, ‘আলহামদুল্লিল্লাহ। টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। আশা করি, এটা মেয়েদের ক্রিকেটকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
চৌকশ ক্রিকেটার রুমানার কন্ঠেও খুশির ঝিলিক, ‘আলহামদুল্লিল্লাহ। নিঃসন্দেহে এটা আমাদের নারী ক্রিকেটের জন্য অনেক ভালো খবর। আর এই টেস্ট স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আমরা নারী ক্রিকেটের পূর্ণতা পেয়েছি। আর সত্যি কথা বলতে কি, নিজেদের টেস্ট প্লেয়ার ভাবতে আমাদের অনুভব অন্যরকম হয়ে যায়। এই স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আমাদের ক্রিকেটকে অনেকদূর এগিয়ে নিতে চাই।
তৃষ্ণার অভিব্যক্তিও একইরকম। তিনি বলেন, ‘আলহামদুল্লিাহ। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট আজ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল। নিঃসন্দেহে এটা বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’
একইভাবে নাহিদা আক্তার আর নিগার সুলতানা জ্যোতির চোখে-মুখে উচ্ছ্বাস। তারাও সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী ফরম্যাট টেস্ট ক্রিকেটে অন্তর্ভূক্ত হতে পেরে অনেক গর্বিত।’
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

























