০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

খালেদার বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই: ইসি

নিম্ন আদালতে ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের কিছু করার নেই বলে মত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি আদালতের দিকে ঠেলে দিয়ে কমিশন বলছে, এটা এখন আদালতের উপর নির্ভর করে।

আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কারও ন্যূনতম দুই বছর কারাদণ্ড হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন। খালেদার ৫ বছর কারাদণ্ড হওয়ায় তিনিও অযোগ্য।

কিন্তু বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে এবং উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের পর বিষয়গুলো তুলে ধরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, “উনার (খালেদা) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা তাদের ব্যাপার।”

বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দলের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এলে এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়নে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে প্রতিনিধি দলের (ইইউ) একজনও জানতে চেয়েছিলেন। সিইসি তাদেরকে বলেছেন, এটি আদালতের বিষয়। আদালত যদি অ্যালাও করেন, তাহলে ইসির কিছু করার নেই। আর যদি অ্যালাও না-ও করেন, তাহলেও ইসির কোনো ভূমিকা থাকবে না।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে সাজার রায় হওয়ার ছয় দিন পর নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক এ বক্তব্য এল।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরের শুরুতে এই রায়ের পর বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে আসছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য এই পরিকল্পনা এঁটেছে আওয়ামী লীগ।

ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, তারা সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সবকিছু করবেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

খালেদার বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই: ইসি

প্রকাশিত : ০৬:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

নিম্ন আদালতে ৫ বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের কিছু করার নেই বলে মত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিষয়টি আদালতের দিকে ঠেলে দিয়ে কমিশন বলছে, এটা এখন আদালতের উপর নির্ভর করে।

আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি মামলায় কারও ন্যূনতম দুই বছর কারাদণ্ড হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন। খালেদার ৫ বছর কারাদণ্ড হওয়ায় তিনিও অযোগ্য।

কিন্তু বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে এবং উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের পর বিষয়গুলো তুলে ধরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, “উনার (খালেদা) ব্যাপারে আপিল বিভাগ এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা তাদের ব্যাপার।”

বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দলের এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এলে এ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়নে ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

তিনি বলেন, “এ বিষয়ে প্রতিনিধি দলের (ইইউ) একজনও জানতে চেয়েছিলেন। সিইসি তাদেরকে বলেছেন, এটি আদালতের বিষয়। আদালত যদি অ্যালাও করেন, তাহলে ইসির কিছু করার নেই। আর যদি অ্যালাও না-ও করেন, তাহলেও ইসির কোনো ভূমিকা থাকবে না।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে সাজার রায় হওয়ার ছয় দিন পর নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক এ বক্তব্য এল।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরের শুরুতে এই রায়ের পর বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে আসছেন, খালেদা জিয়াকে নির্বাচন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য এই পরিকল্পনা এঁটেছে আওয়ামী লীগ।

ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, তারা সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সবকিছু করবেন।