বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ ৭টি মামলা চলমান রয়েছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এরমধ্যে দু’টি মামলায় ৭ বছর ও ১০ বছর করে সাজা হয়েছে।
জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে বুধবার টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মহিলা এমপি ফজিলাতুন নেসা বাপ্পীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
আইনমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে কাফরুল থানায় দায়ের হওয়া মামলা (নং ১৭/২০০৭) চলমান রয়েছে। এই মামলায় তারেক রহমান ছাড়াও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু আসামি হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছেন। মামলাটি আদালতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে।
একইসঙ্গে দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে তার বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা (নং ২৯/১১ ও ৩০/১১) ও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা (নং-১৫৫৮২/১৭) রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা চলমান রয়েছে।
এছাড়া ঢাকার সিএমএম কোর্টে ৪টি মানহানি মামলা (৪৯৯/৫০০ ধারায়) চলমান রয়েছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে একটিতে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।
আইন মন্ত্রী আরো জানান, তারেক রহমান একটি মামলায় নিম্ন আদালতে খালাস পেলেও ওই মামলায় হাইকোর্টের আপীল বিভাগ তাকে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া সম্প্রতি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তারেক রহমানের ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।






















