০৭:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

আজ বাউল সম্রাটের ১০২তম জন্মবার্ষিকী

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১০২তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। তিনি আজীবন অন্যায়, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একুশে পদকপ্রাপ্ত  শাহ আবদুল করিমের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের উজানধলে বিকেলে বাউল সম্রাটের মাজারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। শাহ আবদুল করিমের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করবেন ভক্তরা।

এই গুণী শিল্পী জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার গ্রামের বাড়ি ভাটির জনপদ সুনাসমগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের কালনী নদীর তীরে অবস্থিত উজানধল।

বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান বিবি। আবদুল করিম তার গানের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের মানুষের দুঃখ, কষ্ট, আনন্দ, বেদনার কথা তুলে ধরেছেন। যা আজ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে।

অসংখ্য জনপ্রিয় গ্রানের রচয়িতা শাহ আবদুল করিম অত্যন্ত দুঃখে, কষ্টে দিনযাপন করলেও কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। অসম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী আবদুল করিম জাত, কুলের ধার ধারেননি। সেজন্য জীবদশায় তাকে নানান অত্যাচারেরও সম্মুখীন হতে হয়।

ব্যক্তি জীবনে লোভ লালসা ও পদ-পদবীর প্রতি নির্লোভ এ মানুষটি তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননাসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এ গুণীশিল্পী নানান ধরনের বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাড়ি জমান পরলোকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

আজ বাউল সম্রাটের ১০২তম জন্মবার্ষিকী

প্রকাশিত : ১১:৪০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১০২তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। তিনি আজীবন অন্যায়, শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।

জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একুশে পদকপ্রাপ্ত  শাহ আবদুল করিমের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের উজানধলে বিকেলে বাউল সম্রাটের মাজারে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। শাহ আবদুল করিমের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করবেন ভক্তরা।

এই গুণী শিল্পী জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। তার গ্রামের বাড়ি ভাটির জনপদ সুনাসমগঞ্জের দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়নের কালনী নদীর তীরে অবস্থিত উজানধল।

বাবা ইব্রাহিম আলী ও মা নাইওরজান বিবি। আবদুল করিম তার গানের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের মানুষের দুঃখ, কষ্ট, আনন্দ, বেদনার কথা তুলে ধরেছেন। যা আজ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে।

অসংখ্য জনপ্রিয় গ্রানের রচয়িতা শাহ আবদুল করিম অত্যন্ত দুঃখে, কষ্টে দিনযাপন করলেও কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। অসম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী আবদুল করিম জাত, কুলের ধার ধারেননি। সেজন্য জীবদশায় তাকে নানান অত্যাচারেরও সম্মুখীন হতে হয়।

ব্যক্তি জীবনে লোভ লালসা ও পদ-পদবীর প্রতি নির্লোভ এ মানুষটি তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে পদক, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননাসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে এ গুণীশিল্পী নানান ধরনের বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাড়ি জমান পরলোকে।