০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

ব্যয়ের সক্ষমতায় ঘাটতি, তবু বড় এডিপি আসছে

করোনাভাইরাসের মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতির মধ্যেও বেশি ব্যয়ের লক্ষ্য নিয়ে আরেকটি বড় উন্নয়ন বাজেট (এডিপি) দিতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়সহ পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নতুন এডিপির আকার হবে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা, যা চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি। করোনা প্রতিরোধে প্রস্তাবিত এডিপিতে এবারও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমকর্তারা। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষি খাতকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ অব্যাহত থাকছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার কমিশনের বর্ধিত সভায় খসড়া এডিপি চূড়ান্ত করা হয়। শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এ সভা। কমিশনের দায়িত্বশীল এক কমকর্তা বলেন, ঈদের পর জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় খসড়া এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। আগামী ১৮ বা ২০ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সভা হতে পারে। দেশের উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বড় দুর্বলতা বাস্তবায়নের সক্ষমতার অভাব। প্রতি বছর বাজেটে যা বরাদ্দ দেয়া হয়, তা খরচ করতে পারে না মন্ত্রণালয়গুলো। অদক্ষতা, দুর্নীতি ও যথাসময়ে কাজ শুরু না করতে পারাই এর কারণ বলে অভিযোগ রয়েছে অর্থনীতিবিদদের। এ কারণে অর্থনীতিবিদরা সব সময় ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ এডিপি করার তাগিদ দিয়ে এর গুণগত ব্যয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, সারা দেশের জনপ্রতিনিধিদের চাহিদা অনুযায়ী এডিপিতে প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ কারণে অর্থনীতিবিদদের পক্ষ থেকে টেকসই উন্নয়নে মানসম্মত প্রকল্পের জোরালো তাগিদ থাকলেও অনেক সময়েই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প নেয়া হয়। যে কারণে উন্নয়ন বাজেটের গুণগত ব্যয় নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। এবার ভোট নেই বলে প্রকল্প বাছাইয়ে জনপ্রতিনিধিদের চাপও তেমন নেই। তবে আছে জীবনঘাতী করোনাভাইরাস। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, এজন্য নতুন এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। নতুন এডিপিতে বরাবরের মতো এবারও দেশীয় উৎস থেকে বেশি সম্পদের জোগান দেয়া হচ্ছে। ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৬১ শতাংশ। অবশিষ্ট ৩৯ শতাংশ বা ৮৮ হাজার ২৪ কোটি টাকা আসবে বিদেশি উৎস থেকে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কমকর্তারা বলছেন, এডিপিতে মূল বরাদ্দের বাইরে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা যুক্ত থাকছে। যে অর্থবছরটি শেষ হতে যাচ্ছে তাতে মূল এডিপির আকার ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। সম্পদের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে তা সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। করোনার প্রাদুর্ভাবে অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় গত অর্থবছরে এডিপির মাত্র ৭৯ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়, যা এ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। করোনা-পরবর্তী অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে ধারণা করা হয়েছিল, উন্নয়ন কাজে গতি আসবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, এডিপি বাস্তবায়নের হার বাড়েনি, বরং আগের চেয়ে কমেছে। চলতি অর্থবছরের ১০ মাস পার হলেও বাস্তবায়নের হার অর্ধেকও হয়নি। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মার্চে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কিছুটা গতি এলেও লকডাউনের কারণে আবার তা থমকে গেছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘করোনা সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতিকে সচল করতে আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ‘এ ছাড়া ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ ও জনবল আরও বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকছে। খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে কৃষিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’ শামসুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির এক শতাংশের কম। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে এটি বাড়িয়ে জিডিপির কমপক্ষে চার শতাংশে উন্নীত করতে হবে।’ অর্থনীতিবিদেরাও বলেছেন, করোনা সংকটে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মনোযোগ দেয়া। এর পাশাপাশি কৃষিপণ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। গবেষণা সংস্থা পিআরআই-এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। সে জন্য বাস্তবায়নযোগ্য এডিপি করাই হবে যুক্তিসঙ্গত। ‘অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বড় আকারের এডিপি করা হলেও টাকা খরচ করতে পারে না। অর্থনীতির চেয়ে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। যে কারণে অর্থ অপচয়ের সুযোগ থাকে।’বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘করোনা নতুন অভিজ্ঞতা। এর প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। ফলে নতুন করে ভাবতে হবে। ঢেলে সাজাতে হবে স্বাস্থ্য খাতকে। সেভাবে পরিকল্পনা করতে হবে।’এবারের এডিপিতে খাতভিত্তিক সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ থাকছে স্থানীয় সরকার বিভাগে ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এর পরে রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ২৮ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ থাকেছে সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা। রেলে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না: তারেক রহমান

ব্যয়ের সক্ষমতায় ঘাটতি, তবু বড় এডিপি আসছে

প্রকাশিত : ১২:০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

করোনাভাইরাসের মহামারিতে বিপর্যস্ত অর্থনীতির মধ্যেও বেশি ব্যয়ের লক্ষ্য নিয়ে আরেকটি বড় উন্নয়ন বাজেট (এডিপি) দিতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়সহ পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, নতুন এডিপির আকার হবে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা, যা চলতি অর্থবছরের মূল এডিপির চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি। করোনা প্রতিরোধে প্রস্তাবিত এডিপিতে এবারও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমকর্তারা। একই সঙ্গে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষি খাতকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ অব্যাহত থাকছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার কমিশনের বর্ধিত সভায় খসড়া এডিপি চূড়ান্ত করা হয়। শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এ সভা। কমিশনের দায়িত্বশীল এক কমকর্তা বলেন, ঈদের পর জাতীয় অর্থনেতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় খসড়া এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। আগামী ১৮ বা ২০ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এনইসি সভা হতে পারে। দেশের উন্নয়ন বাজেট বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বড় দুর্বলতা বাস্তবায়নের সক্ষমতার অভাব। প্রতি বছর বাজেটে যা বরাদ্দ দেয়া হয়, তা খরচ করতে পারে না মন্ত্রণালয়গুলো। অদক্ষতা, দুর্নীতি ও যথাসময়ে কাজ শুরু না করতে পারাই এর কারণ বলে অভিযোগ রয়েছে অর্থনীতিবিদদের। এ কারণে অর্থনীতিবিদরা সব সময় ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ এডিপি করার তাগিদ দিয়ে এর গুণগত ব্যয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, সারা দেশের জনপ্রতিনিধিদের চাহিদা অনুযায়ী এডিপিতে প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ কারণে অর্থনীতিবিদদের পক্ষ থেকে টেকসই উন্নয়নে মানসম্মত প্রকল্পের জোরালো তাগিদ থাকলেও অনেক সময়েই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প নেয়া হয়। যে কারণে উন্নয়ন বাজেটের গুণগত ব্যয় নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। এবার ভোট নেই বলে প্রকল্প বাছাইয়ে জনপ্রতিনিধিদের চাপও তেমন নেই। তবে আছে জীবনঘাতী করোনাভাইরাস। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, এজন্য নতুন এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। নতুন এডিপিতে বরাবরের মতো এবারও দেশীয় উৎস থেকে বেশি সম্পদের জোগান দেয়া হচ্ছে। ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৬১ শতাংশ। অবশিষ্ট ৩৯ শতাংশ বা ৮৮ হাজার ২৪ কোটি টাকা আসবে বিদেশি উৎস থেকে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কমকর্তারা বলছেন, এডিপিতে মূল বরাদ্দের বাইরে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা যুক্ত থাকছে। যে অর্থবছরটি শেষ হতে যাচ্ছে তাতে মূল এডিপির আকার ২ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা। সম্পদের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে তা সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। করোনার প্রাদুর্ভাবে অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় গত অর্থবছরে এডিপির মাত্র ৭৯ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়, যা এ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। করোনা-পরবর্তী অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ফলে ধারণা করা হয়েছিল, উন্নয়ন কাজে গতি আসবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, এডিপি বাস্তবায়নের হার বাড়েনি, বরং আগের চেয়ে কমেছে। চলতি অর্থবছরের ১০ মাস পার হলেও বাস্তবায়নের হার অর্ধেকও হয়নি। পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মার্চে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কিছুটা গতি এলেও লকডাউনের কারণে আবার তা থমকে গেছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ‘করোনা সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতিকে সচল করতে আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ‘এ ছাড়া ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ ও জনবল আরও বৃদ্ধির প্রস্তাব থাকছে। খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে কৃষিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’ শামসুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ জিডিপির এক শতাংশের কম। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে এটি বাড়িয়ে জিডিপির কমপক্ষে চার শতাংশে উন্নীত করতে হবে।’ অর্থনীতিবিদেরাও বলেছেন, করোনা সংকটে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে মনোযোগ দেয়া। এর পাশাপাশি কৃষিপণ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। গবেষণা সংস্থা পিআরআই-এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে। সে জন্য বাস্তবায়নযোগ্য এডিপি করাই হবে যুক্তিসঙ্গত। ‘অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বড় আকারের এডিপি করা হলেও টাকা খরচ করতে পারে না। অর্থনীতির চেয়ে রাজনীতিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। যে কারণে অর্থ অপচয়ের সুযোগ থাকে।’বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘করোনা নতুন অভিজ্ঞতা। এর প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লেগেছে। ফলে নতুন করে ভাবতে হবে। ঢেলে সাজাতে হবে স্বাস্থ্য খাতকে। সেভাবে পরিকল্পনা করতে হবে।’এবারের এডিপিতে খাতভিত্তিক সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ থাকছে স্থানীয় সরকার বিভাগে ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এর পরে রয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ২৮ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ থাকেছে সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা। রেলে ১৩ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।