০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬৩ ডলার

 

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে বছরে ২ হাজার ২২৭ ডলার হয়েছে। এর আগে সবশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ করোনার বছরেও আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। সোমবার মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে মাথাপিছু আয় বাড়ার খবর দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশিদের মাথাপিছু আয় চলতি অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। নতুন আয় ২ হাজার ২২৭ ডলার।’ সোমবারের মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৮ টাকা। এটি বার্ষিক হিসাবে। মাসে মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৫৮৯ টাকা। জিডিপিও এ সময় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তিনি। আগে জিডিপি ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭ ডলার। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। এই অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘এটা একটা গুড অ্যাচিভমেন্ট। কাকতালীয়ভাবে আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। আজকের দিনেই এ অর্জন হলো। এজন্য তাকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না: তারেক রহমান

মাথাপিছু আয় বেড়েছে ১৬৩ ডলার

প্রকাশিত : ১২:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

 

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে বছরে ২ হাজার ২২৭ ডলার হয়েছে। এর আগে সবশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ করোনার বছরেও আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৮ শতাংশ। সোমবার মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে মাথাপিছু আয় বাড়ার খবর দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশিদের মাথাপিছু আয় চলতি অর্থবছরে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার। নতুন আয় ২ হাজার ২২৭ ডলার।’ সোমবারের মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৮ টাকা। এটি বার্ষিক হিসাবে। মাসে মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৫৮৯ টাকা। জিডিপিও এ সময় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান তিনি। আগে জিডিপি ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭ ডলার। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। এই অর্জনে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘এটা একটা গুড অ্যাচিভমেন্ট। কাকতালীয়ভাবে আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। আজকের দিনেই এ অর্জন হলো। এজন্য তাকে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে।’