০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয় সচলের দাবি ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের

সকল শিক্ষার্থীদেরকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সচলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। পাশাপাশি সম্পূরক আর্থিক সাহায্য বা মেধাবৃত্তির অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করার দাবিও জানায় সংগঠনটি। মঙ্গলবার ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তুষার ধর ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি এক যুক্ত বিবৃতিতে এই দাবি জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “প্রথমবার করোনার টিকার রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনর্বার সুযোগ দিতে হবে।

সকলকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খুলে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার দাবি জানাচ্ছি।” “বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর পরিবার করোনার থাবায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। সম্পূরক আর্থিক সাহায্য বা মেধাবৃত্তির অর্থ এই পরিস্থিতিতে পেলে ওই সকল শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য এই অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করতে প্রশাসনের আন্তরিকতাই যথেষ্ট বলে মনে করছি আমরা।” নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ৭০০ জন শিক্ষার্থী ডিভাইস ক্রয় করবার জন্য সফট লোনের আবেদন করেছিলো। কিন্তু লোন দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৫৭ জনকে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিৎ, অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু করবার আগেই ইউজিসির সাথে যোগাযোগ করে সকল অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের লোন দেয়া।”

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

বিশ্ববিদ্যালয় সচলের দাবি ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের

প্রকাশিত : ০৮:০৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

সকল শিক্ষার্থীদেরকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় সচলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। পাশাপাশি সম্পূরক আর্থিক সাহায্য বা মেধাবৃত্তির অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করার দাবিও জানায় সংগঠনটি। মঙ্গলবার ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তুষার ধর ও সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি এক যুক্ত বিবৃতিতে এই দাবি জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “প্রথমবার করোনার টিকার রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের পুনর্বার সুযোগ দিতে হবে।

সকলকে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খুলে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় সচল করার দাবি জানাচ্ছি।” “বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর পরিবার করোনার থাবায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। সম্পূরক আর্থিক সাহায্য বা মেধাবৃত্তির অর্থ এই পরিস্থিতিতে পেলে ওই সকল শিক্ষার্থী উপকৃত হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য এই অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করতে প্রশাসনের আন্তরিকতাই যথেষ্ট বলে মনে করছি আমরা।” নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ৭০০ জন শিক্ষার্থী ডিভাইস ক্রয় করবার জন্য সফট লোনের আবেদন করেছিলো। কিন্তু লোন দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৫৭ জনকে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিৎ, অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু করবার আগেই ইউজিসির সাথে যোগাযোগ করে সকল অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের লোন দেয়া।”