বিশ্ববিদ্যালয়ের আটকে থাকা সেমিষ্টার পরীক্ষাগুলোর বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত সিদ্ধান্ত চান নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
বেশিকিছু দিনে যাবত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আটকে থাকা পরীক্ষাসমূহ এবং বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে সরব প্রতিবাদমুখর অনেক নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী। তাদের মতে, দীর্ঘ ১৫ মাস যাবত করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আটকে রয়েছে সকল বিভাগের নিয়মিত পরীক্ষাসমূহ। এতে করে ভয়াবহ সেশনজটের পাশাপাশি অনিশ্চিত শিক্ষাজীবনে সম্মুখীন হবে শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন,সরকারী নির্দেশনা ব্যাতিত কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় খোলা সম্ভব নয়।
এক্ষেত্রে পরীক্ষার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,আগামী ৬ জুন অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে অনলাইন পরীক্ষার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, হাট- বাজার, শিল্প – কলকারখানা, গণপরিবহন সহ দেশের সবকিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে নোবিপ্রবি প্রশাসন। কিন্তু, দফায় দফায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি করায় অনলাইনে শেষ করা সেমিষ্টারগুলোর নিয়মিত পরীক্ষাসমূহ নেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে করে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা পড়েছেন বিপাকে। পরীক্ষাসমূহ না হওয়ায় ভয়াবহ সেশনজটের আশংকা করছেন অনেক নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















