১০:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ডিএসই সূচক ৪০ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে

 

লেনদেনের পুরোটা সময় সূচকের বড় ধরনের ওঠানামার মধ্যে শেষ পর্যন্ত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইর সূচক সামান্য বেড়েছে । এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স পৌঁছে গেছে ৪০ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে। আগের দিনের চেয়ে এদিন শেয়ার কেনাবেচা কিছুটা কমায় লেনদেনে আর নতুন রেকর্ড হয়নি। বুধবার ২০১০ সালের ধসের পর লেনদেন ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার নতুন উচ্চতায় গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে ১১ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৬৬ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এই সূচক প্রায় ৪০ মাসের মধ্যে বেশি। এর আগে এর চেয়ে বেশি সূচক ছিল ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সূচক ছিল ৬ হাজার ১০২ পয়েন্ট। দেশের প্রধান এই বাজারে এদিন লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ৩১ কোটি ২৯ লাখ টাকা কমেছে। ঢাকায় ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ২ হাজার ৭০০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার এই বাজারে লেনদেন হয়েছে ৩৬৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৯টির এবং কমেছে ১৪৯টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির দর। খাতওয়ারী লেনদেন বিবেচনায় এদিন সবচেয়ে বাজে দিন গেছে বীমার শেয়ারের। এই খাতের অনেক শেয়ারের ক্রেতাও ছিল না। সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ে লেনদেন হয়েছে অনেক শেয়ারের। তালিকাভুক্ত ৫০টির মধ্যে ৩৫টি বীমা কোম্পানির দাম কমেছে, শতকরা হারে যা ৭০ শতাংশ। এদিন ব্যাংক খাতেও ছিল খারাপ সময়। ৬৮ শতাংশ শেয়ারের দাম কমেছে এ খাতে। তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংকের মধ্যে ২১টিরই দাম কমেছে। দরপতনের ধারা থেকে বাদ যায়নি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারও। এই খাতের ৫৭ শতাংশ শেয়ারের দাম কমেছে। ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৩টির শেয়ারের দাম কমেছে। বস্ত্র খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির দাম বাড়া এবং বেক্সিমকো লিমিটেডসহ আরও কিছু শেয়ারের দাম বাড়ার কারণে শেষ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারাতে সপ্তাহ শেষ হয়েছে। বস্ত্র খাতের ৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ৪৮টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, শতকরা হারে ৮৬ শতাংশ। ঢাকার অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৩ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৯৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ২ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ২০৫ দশমিক শূণ্য ৯ পয়েন্টে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ হয়েছে, আশ্বাস পেয়েছেন ট্রাম্প

ডিএসই সূচক ৪০ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে

প্রকাশিত : ১২:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুন ২০২১

 

লেনদেনের পুরোটা সময় সূচকের বড় ধরনের ওঠানামার মধ্যে শেষ পর্যন্ত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইর সূচক সামান্য বেড়েছে । এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স পৌঁছে গেছে ৪০ মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে। আগের দিনের চেয়ে এদিন শেয়ার কেনাবেচা কিছুটা কমায় লেনদেনে আর নতুন রেকর্ড হয়নি। বুধবার ২০১০ সালের ধসের পর লেনদেন ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার নতুন উচ্চতায় গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে ১১ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৬৬ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এই সূচক প্রায় ৪০ মাসের মধ্যে বেশি। এর আগে এর চেয়ে বেশি সূচক ছিল ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। সেদিন সূচক ছিল ৬ হাজার ১০২ পয়েন্ট। দেশের প্রধান এই বাজারে এদিন লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ১৬ শতাংশ বা ৩১ কোটি ২৯ লাখ টাকা কমেছে। ঢাকায় ২ হাজার ৬৬৯ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ২ হাজার ৭০০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া শেয়ারের মধ্যে ৫৭ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার এই বাজারে লেনদেন হয়েছে ৩৬৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৯টির এবং কমেছে ১৪৯টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির দর। খাতওয়ারী লেনদেন বিবেচনায় এদিন সবচেয়ে বাজে দিন গেছে বীমার শেয়ারের। এই খাতের অনেক শেয়ারের ক্রেতাও ছিল না। সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ে লেনদেন হয়েছে অনেক শেয়ারের। তালিকাভুক্ত ৫০টির মধ্যে ৩৫টি বীমা কোম্পানির দাম কমেছে, শতকরা হারে যা ৭০ শতাংশ। এদিন ব্যাংক খাতেও ছিল খারাপ সময়। ৬৮ শতাংশ শেয়ারের দাম কমেছে এ খাতে। তালিকাভুক্ত ৩১টি ব্যাংকের মধ্যে ২১টিরই দাম কমেছে। দরপতনের ধারা থেকে বাদ যায়নি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারও। এই খাতের ৫৭ শতাংশ শেয়ারের দাম কমেছে। ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ১৩টির শেয়ারের দাম কমেছে। বস্ত্র খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির দাম বাড়া এবং বেক্সিমকো লিমিটেডসহ আরও কিছু শেয়ারের দাম বাড়ার কারণে শেষ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারাতে সপ্তাহ শেষ হয়েছে। বস্ত্র খাতের ৫৬টি কোম্পানির মধ্যে ৪৮টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, শতকরা হারে ৮৬ শতাংশ। ঢাকার অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৩ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৯৯ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ২ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ২০৫ দশমিক শূণ্য ৯ পয়েন্টে।