০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্রিজ ভেঙে পড়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

টাঙ্গাইলের নোয়াই নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজ ভেঙে পড়ায় চার বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়া নদীতে বিকল্প রাস্তা তৈরি করে চলাচল করলেও বর্ষায়ই চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা। স্থানীয়রা জানান, নোয়াই নদীর নাগরপুর উপজেলার বিহালী খামার গ্রামে নির্মিত ব্রিজটির উত্তর পাশের মাটি সরে একটি গার্ডার ভেঙে পানিতে পড়ে যায়। ভেঙে যায়। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় ব্রিজের পিলারগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্রিজের ওপর দিয়ে উপজেলার বিহালী খামার, জাঙ্গালিয়া, সিংদাইর, কাশিনারাসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ চলাচল করতেন। বিহালী খামার গ্রামের মাসুদ রানা, আব্দুর রহমান, গোলজার হোসেনসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর ৬-৭ বছর পারাপারের উপযুক্ত ছিল। ২০১৭ সালের বর্ষায় প্রথমে সেতুর উত্তর পাশের একটি অংশ সামান্য দেবে যায়। স্থানীয়রা দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ তা মেরামত করেননি। পরের বছর বর্ষায় ভিমসহ ব্রিজের মধ্যাংশ নদীতে দেবে যায়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বর্ষায় এক বাঁশের সাঁকো ও শুকনা মৌসুমে চলাচলের জন্য নদীর বুকে রাস্তা তৈরি করে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। কাশিনারা গ্রামের শাহ আলম, রহিম মিয়া কালাচাদ মিয়া বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। শত শত কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে ওঠাতে না পেরে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ট্যাগ :

মাটিরাঙ্গায় ‘অ্যাক্সেস টু ইউটিলাইজেশন অব লাইফ সেভিং’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

ব্রিজ ভেঙে পড়ায় ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ১২:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ জুন ২০২১

টাঙ্গাইলের নোয়াই নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজ ভেঙে পড়ায় চার বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শুষ্ক মৌসুমে শুকিয়ে যাওয়া নদীতে বিকল্প রাস্তা তৈরি করে চলাচল করলেও বর্ষায়ই চরম ভোগান্তিতে পড়েন তারা। স্থানীয়রা জানান, নোয়াই নদীর নাগরপুর উপজেলার বিহালী খামার গ্রামে নির্মিত ব্রিজটির উত্তর পাশের মাটি সরে একটি গার্ডার ভেঙে পানিতে পড়ে যায়। ভেঙে যায়। দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় ব্রিজের পিলারগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ ব্রিজের ওপর দিয়ে উপজেলার বিহালী খামার, জাঙ্গালিয়া, সিংদাইর, কাশিনারাসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ চলাচল করতেন। বিহালী খামার গ্রামের মাসুদ রানা, আব্দুর রহমান, গোলজার হোসেনসহ বেশ কয়েকজন বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের পর ৬-৭ বছর পারাপারের উপযুক্ত ছিল। ২০১৭ সালের বর্ষায় প্রথমে সেতুর উত্তর পাশের একটি অংশ সামান্য দেবে যায়। স্থানীয়রা দাবি জানালেও কর্তৃপক্ষ তা মেরামত করেননি। পরের বছর বর্ষায় ভিমসহ ব্রিজের মধ্যাংশ নদীতে দেবে যায়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বর্ষায় এক বাঁশের সাঁকো ও শুকনা মৌসুমে চলাচলের জন্য নদীর বুকে রাস্তা তৈরি করে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। কাশিনারা গ্রামের শাহ আলম, রহিম মিয়া কালাচাদ মিয়া বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় আশপাশের ছয় গ্রামের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। শত শত কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে ওঠাতে না পেরে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।